Friday, April 17, 2020

নবাবগঞ্জঃ এক প্রবাসীই এক সূতায় গেঁথে ফেলছে দোহার-নবাবগঞ্জবাসীকে




ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে : বারুয়াখালী. কম” সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের গ্রু চেটিং এর অনুষ্ঠান “ কুশল বিনিময়”। রাত ৯.০০ টা হতে শুরু হওয়া এই লাইভ অনুষ্ঠান সারা বিশ্বে বসবাসরত বাঙ্গালীদের এক কাতারে নিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছেন। দেশের এই ক্লান্তিকালে প্রবাসী এম রহমান তারেক একজন লন্ডন প্রবাসী। প্রবাস জীবনে বসবাস করলেও  এদেশের মাটি এদেশের মায়া প্রতিনিয়ত তাকে ব্যাকুল করে তুলে। ১লা এপ্রিল হতে শুরু হওয়া এই অনুষ্ঠান অবরুদ্ধ দোহার নবাবগঞ্জবাসীকে  এক করে ফেলে।  অনুষ্ঠানের সঞ্চালক হিসাবে উপস্থিত থাকের  জনপ্রিয় উপস্থাপক ও দেশ বিদেশের বরণ্য ব্যক্তিবর্গ  প্রতিদিন অনুষ্ঠানে লাইভে উপস্থিত হযে তাদের মতামত ব্যক্তি করে থাকেন। বিশেষ  করে দেশের এই ক্লান্তিকালে প্রতিদিন এক একজন ডাক্তারদের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে দেশে বিদেশের ভিউয়ারদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিয়ে থাকেন।   সম্পূর্ন লাইফ  এই অনুষ্ঠানে অনেক নারীরও অংশ গ্রহন করে মতামত ব্যক্ত করে থাকেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিনিয়ত অপেক্ষা করতে থাকেন এই অনুষ্ঠানের  জন্য। বিশেষ করে স্থানীয় সমস্যাগুলো স্থান পায় বিধায় জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে তিন ইউনিয়নের লোকজন, প্রবাসীরা গভীর রাত পর্যন্ত এই অনুষ্ঠান দেখতে থাকেন এবং তাদের মতামত প্রশ্ন করতে থাকেন।  ইতিপূর্বে এই অনুষ্ঠানে। পশ্চিমাঞ্চলের সম্মানীত চেয়্যারম্যানগন উপস্থি হয়েছেন একাধিকবার। দেশ বিদেমের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে  চেয্যারম্যানগনের নিকট প্রশ্ন করেন েএবং সঞ্চালকের মাধ্যমে পৌঁছে যায় অতিথির নিকট। ফলে আলোচনা প্রানবন্ত হয়ে উঠে।  বর্তমান সমাজ ব্যবস্থায় জনপ্রতিনিধিনের  কথা শুনতে চায় না- আলোচনায় এটিও উঠে আসে। এই অনুষ্ঠানের পরেই দেখা গিয়েছে শিকারীপাড়া ইউনিয়নের সম্মানীত চেয়্যারম্যান জনাব আলীমুর রহমান খান পিয়ারা মাইক নিয়ে পুরো ইউনিয়নে ঘুলে বেড়িয়েছেন। ঘুরে  বেড়িয়েছেন বারুয়াখালী ও জয়কৃষ্যপুর ইউনিয়েন সম্মনীত চেয়্যারম্যানগণ।



 ইতিপূর্বে শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান ও ডিরেক্টর জনাব আক্কাস উদ্দিন মোল্লা সাহেব   লাইভে সংযুক্ত  থেকে এলাকার বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন। তিঁনি সংকটের মধ্যেও দুই সপ্তাহ আগে আমাদের ভলান্টিয়ার্সদের জন্য কিছু পিপিই ব্যবস্থা করে এলাকার মানুষদেরকে ঘরে থাকতে উৎসাহী করার কাজে বিশেষ ভাবে সহায়তা করেছেন।

 সংকটে অন্যকে না ভুলি





বারুয়খালী বারুয়াখালী তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ জনাব মহিদুল একটি অনুষ্ঠানে বাজার ব্যবস্থা উদ্যোগের কথা বলা হলে পরদিনই খোলা  মাঠে স্থানীয় বাজারগুলো চলে যাওয়ার ব্যবস্থা করে দেন। পেোর তিনটি ইউনিয়নের বিশেষ করে তরুন সমাজ এই অনুষ্ঠানের যুক্ত থাকেন। ফলে তিন চেয়্যারম্যানগণ অনেক সাহাস নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন।  বারুয়াখালী, কম একটি স্বেচ্ছ সেবক টিম করছে যার মাধ্যমে তিনটি ইউনিয়নে বাজার ব্যবস্থা, কারো কোন সাহায্য সহযোগীতার প্রয়োজন হলে দ্রুত চলে যাচ্ছেন এই টিমের সদস্যগণ। অনেকটা ঝুঁকি নিয়েও সেবা করে যাচ্ছেন। তিনটি ইউনিয়নের আপামর জনগণকে একটি সূতায় বেঁধে রাখতে সক্ষম হয়েছে বারুয়াখালী.কম।
উল্লেখ্য ডাঃ বাবুল হোসেন, ডাঃ আবুল বাসার ও ডাঃ শাখাওয়াত হোসেন নিয়মিতভাবে এই আলোচনায় অংশ গ্রহন করে থাকে। আলোচনায় জেলা যুবলীগ নেতা ও সমাজ সেবক জনাব আকমল হোসেন, ভাইস চেয়্যারম্যান ইয়াসমিন আক্তার ,  সাংবাদিক রাশিম মোল্লা, দোহার নবাবগঞ্জের পেশাজীব পরিষদের সভাপতি ও  আওয়াজ ফাউন্ডেশনের পরিচালক জনাব আনিসুর রহমান খান, সৈয়দি প্রবাসী কাউছার আহামেদ, এস এম শামীমসহ নিয়মিতভাবে অংশগ্রহন করে থাকেন। বারুয়খালী.কম এর প্রচার প্রচারনায় তিনটি ইউনিয়নের লোকজন ঘরমুখী হয়েছে, বাজার ব্যবস্থা উন্মোক্তস্থানে চলে গিয়েছে, চেক পোষ্টগুলো নজরদারী বাড়িয়ে দিয়েছে।
এম তারেক রহমান দিবারাত্রি পরিশ্রম করে যাচ্ছেন পুরো এলাকাটি কিভাবে রক্ষা করা যায়। পাশাপাশি একটি ফান্ড সংগ্রহকরে যাচ্ছেন হত দরিদ্র মানুষের সাহায্য ও কেউ রোগান্ত হলে তার সাহায্যের জন্য। 
তিনটি ইউনিয়নের সমস্ত তথ্য  এক জায়গা জড়ো হতে থাকে।   এটির মাধ্যমে প্রবাসে বসবাসরত মানুষের সুযোগ সুবিধা সহ এলাকার নানান বিষয়গুলো উঠে আসে। পাশাপাশি তিনটি ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধিগণও তাদের সুবিধা অসুবিধাগুলো শেয়ার করার সুযোগ পাচ্ছেন।

এছাড়াও প্রবাসী পরিবারদের হেল্প বিষয়ক কিছু পয়েন্ট তুলে ধরতে আমরা জনাব আনিসুর রহমান খান ভাইকে সংযুক্ত করতে চেষ্টা করবো।  

আগামীদনিগুলোতে বারুয়াখালী এর মাধ্যমে এলাকা করোনা মুক্তের পাশাপাশি এলাকার  প্রবাসী ফরেত ভাইদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা সহযোগীতা করতে সক্ষম হবেন- এই কামনাই তরছি।

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ আমরা ১ এপ্রিল থেকে এই অনুষ্ঠান শুরু করেছি। প্রথম দিন থেকেই আমাদের ৯৯% মনোযোগ ছিল এলাকার মানুষকে ঘরমুখী রাখার কাজে। আমরা মাত্র ১% সময় ও মনোযোগ দিচ্ছি রিলিফের প্রতি। আমরা বিশ্বাস করি এই মুহূর্তেও সকলের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা হওয়া উচিৎ এলাকাবাসীকে কীভাবে বাজার বিমূখ করে ঘরবদ্ধ রাখা যায়। নিতান্ত প্রয়োজনে একটুকরো পেঁয়াজ, দুটি কাঁচামরিচ আর হাফ প্লেট ভাত = যথেষ্ঠ আলহামদুলিল্লাহ। আমরা খাওয়ার জন্য বাঁচি না—বাঁচার জন্য খাই।
বড় প্রয়োজন সামনে এসেছে, ছোট প্রয়োজন ছাড়তে হবে। ঘরে থাকুন।
বারুয়াখালী তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ জনাব মহিদুল
ডাঃ আবুল বাসার, জনাব আযূব আলী, ডাঃ সাখাওয়াত হোসেন ভাই (এসিস্ট্যান্ট প্রফেসর, মেডিসিন, মিডফোর্ট হসপিটাল, ঢাকা) 


 অতি প্রিয়মুখ আক্কাস আলী মোল্লা। হ্যা, যার কথা না বললেই নয়। খুব সাদামাটা একজন মানুষ, ওসমান গ্রুপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের ডিরেক্টর ও নবাবগঞ্জ উপজেলা কমিউনিটি পুলিশিং এর সভাপতি, নবাবগঞ্জের আলালপুর মোল্লা বাড়ির কৃতি সন্তান।
বিশ্বে এই অঞ্চলের জন্মগ্রহনকারী যারা আজ প্রতিষ্ঠিত







Image may contain: 3 people, text











Image may contain: 1 person, sunglasses, selfie and closeup


Image may contain: 7 people, people standing and outdoor




No comments:

Post a Comment