রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশের পথশিশুরা কেমন আছে? এ প্রশ্ন আমাকে ভাবাচ্ছে।
রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে ফুল, বাদাম, আমড়া, বিক্রি করে ওরা। অনেকে আবার কাগজ, বোতল কুড়ায়। ওরা কেমন আছে?
এদের কাছে সাধারণত একেকটা দিন মানেই যুদ্ধ। জানি না তারা এই মহামারি করোনাভাইরাসের সাথে কীভাবে যুদ্ধ করে বেঁচে আছে?
যারা একটা ফুলের মালা বেশি বিক্রি করে আনন্দ পেত। আজ হয়তো তারা কোনো একটা খাবারের প্যাকেটের আশায় রাস্তায় বসে থাকে। ফাঁকা রাস্তায় কখন কে খাবার নিয়ে আসবে সে আশায় দিন কাটছে তাদের।
একবেলার খাবার ভাগ্যক্রমে পেয়ে গেলেও কপালে চিন্তার দাগ পড়ছে আরেক বেলা কী খাবে ভেবে? সামনের দিনগুলোর কথা ভেবে হয়তো ভয়ে আঁতকে উঠছে বার বার।
সমাজের উচ্চবিত্ত থেকে শুরু করে নিম্নবিত্ত পরিবারের শিশুরা এখন বাবা-মায়ের সাথে আনন্দে ঘরবন্দি সময় পার করছে । অথচ অভিভাবকহীন পথশিশুরা হয়তো
খাবারের অভাবে ক্ষুধা পেটে রাস্তার ধারে ঘুমাচ্ছে। অনেকেই হয়তো অনাহারে থাকছে। হয়তো কেউ ত্রাণের জন্য কোনো গাড়ির পেছন পেছন ছুটছে তো ছুটছে।
ওদের করোনায় আক্রান্ত হয়ে মরে যাবার ভয় নেই। আছে ক্ষুধার যন্ত্রণায় মরে যাবার ভয়।
আমার মনে এখন অনেক প্রশ্ন। আমাদের পথশিশুরা নিরাপদে আছে তো? দেশের বঞ্চিত অবহেলিত পথশিশুদের সরকার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করছে তো? আচ্ছা ওরা ঠিকঠাক দুবেলা দু'মুঠো খাবার মুখে তুলতে পারছে তো? নাকি অনাহারে ফুটপাতে পড়ে আছে মরার মতো?
সমাজের বিত্তশালীদের কাছে আমার অনুরোধ এইসব পথের ফুলগুলোকে বাঁচান। আমি আশাহত নই। বিশ্বাস করি আবার ঘুরে দাঁড়াবে প্রিয় বাংলাদেশ।
এদের কাছে সাধারণত একেকটা দিন মানেই যুদ্ধ। জানি না তারা এই মহামারি করোনাভাইরাসের সাথে কীভাবে যুদ্ধ করে বেঁচে আছে?
যারা একটা ফুলের মালা বেশি বিক্রি করে আনন্দ পেত। আজ হয়তো তারা কোনো একটা খাবারের প্যাকেটের আশায় রাস্তায় বসে থাকে। ফাঁকা রাস্তায় কখন কে খাবার নিয়ে আসবে সে আশায় দিন কাটছে তাদের।
একবেলার খাবার ভাগ্যক্রমে পেয়ে গেলেও কপালে চিন্তার দাগ পড়ছে আরেক বেলা কী খাবে ভেবে? সামনের দিনগুলোর কথা ভেবে হয়তো ভয়ে আঁতকে উঠছে বার বার।
সমাজের উচ্চবিত্ত থেকে শুরু করে নিম্নবিত্ত পরিবারের শিশুরা এখন বাবা-মায়ের সাথে আনন্দে ঘরবন্দি সময় পার করছে । অথচ অভিভাবকহীন পথশিশুরা হয়তো
খাবারের অভাবে ক্ষুধা পেটে রাস্তার ধারে ঘুমাচ্ছে। অনেকেই হয়তো অনাহারে থাকছে। হয়তো কেউ ত্রাণের জন্য কোনো গাড়ির পেছন পেছন ছুটছে তো ছুটছে।
ওদের করোনায় আক্রান্ত হয়ে মরে যাবার ভয় নেই। আছে ক্ষুধার যন্ত্রণায় মরে যাবার ভয়।
আমার মনে এখন অনেক প্রশ্ন। আমাদের পথশিশুরা নিরাপদে আছে তো? দেশের বঞ্চিত অবহেলিত পথশিশুদের সরকার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করছে তো? আচ্ছা ওরা ঠিকঠাক দুবেলা দু'মুঠো খাবার মুখে তুলতে পারছে তো? নাকি অনাহারে ফুটপাতে পড়ে আছে মরার মতো?
সমাজের বিত্তশালীদের কাছে আমার অনুরোধ এইসব পথের ফুলগুলোকে বাঁচান। আমি আশাহত নই। বিশ্বাস করি আবার ঘুরে দাঁড়াবে প্রিয় বাংলাদেশ।
No comments:
Post a Comment