Thursday, June 17, 2021

১০ কেজি মরিচে এক কেজি চাল!

 

পাঁচ টাকা কেজিতে চাষিদের কাছ থেকে কাঁচা মরিচ কিনছেন নীলফামারী বড় বাজারের আড়তদার ও পাইকারি ব্যবসায়ী মো. নুরু ইসলাম। এসব মরিচ তিনি পাইকারিতে ১০-১২ টাকা বিক্রি করছেন। তার কাছ থেকে কিনে ২০-২৫ টাকা কেজি বিক্রি করছেন খুচরা ব্যবসায়ীরা। তাদের লাভ হলেও চরম লোকসানে পড়েছেন মরিচ চাষিরা। ক্ষোভে তারা বললেন, আগামী বছর থেকে মরিচ চাষ করবেন না।

বুধবার (১৬ জুন) ও বৃহস্পতিবার (১৭ জুন) জেলা শহরের বড় বাজার, কিচেন মার্কেট, ডোমারের মটকপুর বাজার, পাঙ্গা চৌপতির বাজার ও ডিমলা বাজারে পাঁচ টাকা কেজিতে মরিচ বিক্রি করেছেন চাষিরা।

বড় বাজার ও কিচেন মার্কেটের খুচরা ব্যবসায়ী বুলু মিয়া ও ইলিয়াস আলী জানান, মরিচের মৌসুম প্রায় শেষ। বর্ষায় মরিচের ফলন কম হওয়ায় খুচরা বাজারে কেজিতে দাম বেড়েছে ৮-১০ টাকা। আমরা ২৫ টাকা কেজিতে বিক্রি করছি। পাইকারিতে মণ কিনেছি ৪৫০ টাকা।

চাষিদের অভিযোগ, মৌসুমের শুরুতে আবাদের খরচ না ওঠায় অনেক চাষি ক্ষেত থেকে মরিচ তোলেননি। ক্ষেতেই মরিচ নষ্ট হয়েছে। লোকসানের ভয়ে অনেকেই মরিচ তুলছেন না।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্র জানায়, চলতি মৌসুমে এক হাজার ৭৭৫ হেক্টর জমিতে মরিচ চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরেছে কৃষি বিভাগ। তবে লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও অর্জিত জমির পরিমাণ এক হাজার ৮০০ হেক্টর। ২৫ হেক্টর জমিতে অতিরিক্ত মরিচ চাষ হয়েছে। সদরে ২৯০, সৈয়দপুরে ২৫, ডোমারে ৭৮০, ডিমলায় ৫৪০, জলঢাকায় ৮০ ও কিশোরগঞ্জে ৮৫ হেক্টর জমিতে মরিচ চাষ হয়েছে।

কিচেন মার্কেটের মরিচের আড়ত ও খুচরা বাজার ঘুরে দেখা যায়, খুচরা বাজারে ২০-২৫ টাকা কেজিতে কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে। পাইকারি বাজারে বিক্রি হচ্ছে ১০-১২ টাকা।

nil2দাম কম পাওয়ায় চরম লোকসানে পড়েছেন মরিচ চাষিরা

সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. কামরুল হাসান বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার মরিচের বাম্পার ফলন হয়েছে। মাঠপর্যায়ে কৃষকরা ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় লোকসানের মুখে পড়েছেন। ক্ষতি উত্তরণের একমাত্র উপায়; গাছে মরিচ পাকিয়ে ঘরে তোলা।

ডোমার উপজেলার মটকপুর ইউনিয়নের পাঙ্গা গ্রামের মরিচ চাষি রহিদুল ইসলাম বলেন, এবার এক বিঘা জমিতে মরিচ চাষ করেছি। ফলন ভালো হয়েছে। কিন্তু বাজারে পাঁচ টাকা কেজিতে মরিচ বিক্রি করেছি। অথচ আমার কাছ থেকে মরিচ কিনে পাইকার ও খুচরা ব্যবসায়ীরা দুই-তিনগুণ বেশি দামে বিক্রি করছেন। ক্ষেত থেকে মরিচ ছিঁড়াই বাদ দিয়েছি। মরিচ ছিঁড়তে যে টাকা খরচ হয়, বিক্রি করেও তা ওঠে না। ভ্যান ভাড়া নিজের পকেট থেকে দিতে হয়। মরিচ চাষ বাদ দিয়ে আগামীতে ভুট্টা চাষ করবো।

উপজেলার মরিচ প্রধান পাঙ্গা চৌপতির বাজারে দেখা যায়, ওই ইউনিয়নের বিভিন্ন পাড়া-মহল্লা থেকে আসা নারী-পুরুষ কাঁচা মরিচ স্তূপ করে রেখেছেন। এই বাজারে হাইব্রিড কাঁচা মরিচের মণ ২০০-২৫০ টাকা, বিন্দু মরিচের মণ ২৫০-২৮০ টাকা, জিরা মরিচের মণ ৩০০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।

ডিমলা উপজেলার খগাখড়িবাড়ী ইউনিয়নের খগাখড়িবাড়ী গ্রামের মরিচ চাষি বাবলুর রহমান বলেন, মরিচের বাম্পার ফলন হলেও এবার বাজার দর খুবই খারাপ। ওষুধ, হালচাষ, সেচ, সার, চারা, মজুরি ও পরিবহন খরচসহ বিঘাপ্রতি খরচ হয়েছে ১২-১৫ হাজার টাকা। এক বিঘায় মরিচ ফলে ২৫-৩০ মণ। প্রতি কেজি পাঁচ টাকা হলে মণ ২০০ টাকা। বিঘায় পাঁচ-ছয় হাজার টাকা। এতেই বোঝা যায় কৃষক শেষ। অথচ খুচরা ও পাইকাররা বাজারে দ্বিগুণ দামে মরিচ বিক্রি করেন।

একই এলাকার মরিচ চাষি রোস্তম আলী জানান, গত বছর মরিচের বাজার ভালো ছিল। তিন হাজার টাকা পর্যন্ত মণ বিক্রি হয়েছিল। এবার সর্বোচ্চ দেড় হাজার টাকা বিক্রি হয়েছে প্রথম দিকে। তারপর দাম কমতে কমতে ২০০-২৫০ টাকায় নেমেছে। বারবার মরিচ চাষে আমি ক্ষতিগ্রস্ত। আগামীতে পাট ও ভুট্টা চাষের চিন্তাভাবনা করছি।

Chilli-Two-3মৌসুমের শুরুতে আবাদের খরচ না ওঠায় অনেক চাষি ক্ষেত থেকে মরিচ তোলেননি

পাঙ্গা চৌপতির বাজারে মরিচ বিক্রি করতে আসা শফিকুল ইসলাম (৩০) বলেন, মাথার ঘাম পায়ে ফেলে মরিচ চাষ করে দাম পাই না। অথচ পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীরা দ্বিগুণ লাভ করে। কৃষকের খবর কেউ রাখে না। করোনায় আয়-রোজগার নেই, এখন মরিচ চাষ করে দাম পাই না। এভাবে চললে চাষাবাদ করে আমাদের মরণ ছাড়া উপায় নেই। চাল, ডাল ও তেল কিনতে বাজারে গিয়ে দিশেহারা। ১০ কেজি মরিচ বিক্রি করে এক কেজি চাল কিনি। কোথায় যাবো আমি?।

নীলফামারী বড় বাজারের আড়তদার ও পাইকারি ব্যবসায়ী মো. নুর ইসলাম বলেন, বগুড়া, পাবনা এবং কুষ্টিয়া জেলার ক্ষেতের মরিচ উঠেছে। নীলফামারীর মরিচ উঠেছে। একসঙ্গে এতো জেলার মরিচ ওঠায় বাজারে প্রভাব পড়েছে। তিন-চার টাকা কেজিতে মরিচ পাওয়া যাচ্ছে। তবে বৃষ্টি হলে দাম বাড়বে।

হাট ইজারাদার শফিকুল ইসলাম বলেন, এবার আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় মরিচের বাম্পার ফলন হয়েছে। একসঙ্গে কুষ্টিয়া, পাবনা ও বগুড়া জেলার মরিচ উঠেছে। সেজন্য বাজার মন্দা যাচ্ছে। গতবারের চেয়ে এবার দাম কম পাওয়ায় চাষিদের লোকসান গুনতে হচ্ছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক মো. আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, মরিচের বাম্পার ফলন হয়েছে ঠিকই কিন্তু ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না চাষি। মরিচ গাছ থেকে ছিঁড়তে প্রচুর লোকবলের প্রয়োজন হয় এবং ব্যয়ও অনেক। এজন্য চাষিদের মরিচ পাকানোর পরামর্শ দিচ্ছি। পাকা মরিচের চাহিদা ও লাভ বেশি। আশা করি, ক্ষতিগ্রস্ত চাষিরা শুকনো মরিচ বিক্রি করে লাভবান হবেন।

Wednesday, December 23, 2020

রাজধানীর বাইরে হবে ৪টি আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল

 


রাজধানীর গণপরিবহন ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফেরাতে ঢাকার আশপাশে আরও চারটি বাস টার্মিনাল নির্মাণ করা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস ও মো. আতিকুল ইসলাম। তারা বলেছেন, রাজধানীতে যাতে আন্তঃজেলা বাসগুলো প্রবেশ না করে ও সেখানে শুধু সিটি সার্ভিসগুলো চলে সেই চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।

বুধবার সকালে ঢাকার অদূরে সাভারের ভাটুলিয়া ও বিরুলিয়া এলাকায় জমি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন দুই মেয়র। 

রাজধানীর গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ফেরানো ও যানজট নিরসনে গঠিত বাস রুট রেশনালাইজেশন কমিটির কার্যক্রম বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এই পরিদর্শন করেন তারা।

পরিদর্শনকালে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল নির্মাণে ১০টি জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে।  সেখান থেকে চারটি স্থান পরিদর্শন করা হয়েছে।  স্থান চারটি গ্রহণযোগ্য হতে পারে বলে জানান মেয়র তাপস। 

ডিএসসিসির মেয়র বলেন, প্রথমে আমরা ভাটুলিয়া বিরুলিয়া এলাকা পরিদর্শন করলাম। পরে হেমায়েতপুরে আরেকটি জায়গা পরিদর্শনে যাব। পরবর্তী সময়ে কাঁচপুর ও কেরানীগঞ্জে নির্ধারণ করা দুটি জায়গায় যাব। এসব জায়গা দেখে আগামী জানুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় সভায় সিদ্ধান্ত নেব। এরপর সুপারিশ মন্ত্রণালয়ে পাঠাব।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, ঘাটারচর থেকে মতিঝিল পর্যন্ত রুটে আগে ১৬০টি বাস ২৯টির মত কোম্পানির মাধ্যমে পরিচালিত হত।  প্রতিযোগিতা করে তারা সড়কে বাস চালাত। আমরা সেটি একটি কোম্পানির মাধ্যমে নিয়ে আসার উদ্যোগ নিয়েছি।  

তিনি বলেন, শহরের বাস শহরের ভেতর চলবে। বিভিন্ন জেলার বাস ঢাকার আশপাশে নির্ধারিত বাস টার্মিনালে এসে থামবে। এতে শহরের মধ্যে বাস প্রতিযোগিতা করে চালানো বন্ধ হবে।

গাবতলী, মহাখালী ও সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল সিটি টার্মিনাল হিসেবে পরিচালিত হবে বলে জানান দুই মেয়র। 
 

 

Monday, September 28, 2020

‘নদী নেবে!’ , বিশ্ব নদী দিবস-২০২০ উপলক্ষে বিআইডব্লিউটিএর সহযোগিতায় রোববার দেশের চারটি নদীবন্দরে আলোকচিত্রী কাকলী প্রধানের ছবিতে শুরু হয়েছে বিশেষ প্রদর্শনী ‘নদী নেবে!’। এর আয়োজক শিশু সংগঠন ‘ইকরিমিকরি’। ঢাকার সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যান কমডোর গোলাম সাদেক। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

 

ঢাকার সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালসহ দেশের চারটি নদীবন্দরে রোববার থেকে চলছে বিশেষ আলোকচিত্র প্রদর্শনী ‘নদী নেবে!’। বিশ্ব নদী দিবস উপলক্ষে সংবাদ আলোকচিত্রী কাকলী প্রধানের একশ' ছবি স্থান পেয়েছে এই প্রদর্শনীতে। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি















Saturday, September 12, 2020

কুয়াকাটা সৈকতে মেঘবিকেল

 


ছবি-কুয়াকাটা সৈকতে মেঘবিকেল--8044

কুয়ায়াটা সমুদ্র সৈকত থেকে ছবিগুলো তুলেছেন কালের কণ্ঠের আঞ্চলিক প্রতিনিধি (পিরোজপুর) দেবদাস মজুমদার।

ছবি-কুয়াকাটা সৈকতে মেঘবিকেল--8045

কুয়ায়াটা সমুদ্র সৈকত থেকে ছবিগুলো তুলেছেন কালের কণ্ঠের আঞ্চলিক প্রতিনিধি (পিরোজপুর) দেবদাস মজুমদার।

ছবি-কুয়াকাটা সৈকতে মেঘবিকেল--8046

কুয়ায়াটা সমুদ্র সৈকত থেকে ছবিগুলো তুলেছেন কালের কণ্ঠের আঞ্চলিক প্রতিনিধি (পিরোজপুর) দেবদাস মজুমদার।

ছবি-কুয়াকাটা সৈকতে মেঘবিকেল--8047

কুয়ায়াটা সমুদ্র সৈকত থেকে ছবিগুলো তুলেছেন কালের কণ্ঠের আঞ্চলিক প্রতিনিধি (পিরোজপুর) দেবদাস মজুমদার।

ছবি-কুয়াকাটা সৈকতে মেঘবিকেল--8048

কুয়ায়াটা সমুদ্র সৈকত থেকে ছবিগুলো তুলেছেন কালের কণ্ঠের আঞ্চলিক প্রতিনিধি (পিরোজপুর) দেবদাস মজুমদার।

ছবি-কুয়াকাটা সৈকতে মেঘবিকেল--8049

কুয়ায়াটা সমুদ্র সৈকত থেকে ছবিগুলো তুলেছেন কালের কণ্ঠের আঞ্চলিক প্রতিনিধি (পিরোজপুর) দেবদাস মজুমদার।

ছবি-কুয়াকাটা সৈকতে মেঘবিকেল--8050

কুয়ায়াটা সমুদ্র সৈকত থেকে ছবিগুলো তুলেছেন কালের কণ্ঠের আঞ্চলিক প্রতিনিধি (পিরোজপুর) দেবদাস মজুমদার।

ছবি-কুয়াকাটা সৈকতে মেঘবিকেল--8051

কুয়ায়াটা সমুদ্র সৈকত থেকে ছবিগুলো তুলেছেন কালের কণ্ঠের আঞ্চলিক প্রতিনিধি (পিরোজপুর) দেবদাস মজুমদার।

ছবি-কুয়াকাটা সৈকতে মেঘবিকেল--8052

কুয়ায়াটা সমুদ্র সৈকত থেকে ছবিগুলো তুলেছেন কালের কণ্ঠের আঞ্চলিক প্রতিনিধি (পিরোজপুর) দেবদাস মজুমদার।

ছবি-কুয়াকাটা সৈকতে মেঘবিকেল--8053

কুয়ায়াটা সমুদ্র সৈকত থেকে ছবিগুলো তুলেছেন কালের কণ্ঠের আঞ্চলিক প্রতিনিধি (পিরোজপুর) দেবদাস মজুমদার।

ছবি-কুয়াকাটা সৈকতে মেঘবিকেল--8054

কুয়ায়াটা সমুদ্র সৈকত থেকে ছবিগুলো তুলেছেন কালের কণ্ঠের আঞ্চলিক প্রতিনিধি (পিরোজপুর) দেবদাস মজুমদার।

ছবি-কুয়াকাটা সৈকতে মেঘবিকেল--8055

কুয়ায়াটা সমুদ্র সৈকত থেকে ছবিগুলো তুলেছেন কালের কণ্ঠের আঞ্চলিক প্রতিনিধি (পিরোজপুর) দেবদাস মজুমদার।

ছবি-কুয়াকাটা সৈকতে মেঘবিকেল--8056

কুয়ায়াটা সমুদ্র সৈকত থেকে ছবিগুলো তুলেছেন কালের কণ্ঠের আঞ্চলিক প্রতিনিধি (পিরোজপুর) দেবদাস মজুমদার।

ছবি-কুয়াকাটা সৈকতে মেঘবিকেল--8057

কুয়ায়াটা সমুদ্র সৈকত থেকে ছবিগুলো তুলেছেন কালের কণ্ঠের আঞ্চলিক প্রতিনিধি (পিরোজপুর) দেবদাস মজুমদার।

ছবি-কুয়াকাটা সৈকতে মেঘবিকেল--8058

কুয়ায়াটা সমুদ্র সৈকত থেকে ছবিগুলো তুলেছেন কালের কণ্ঠের আঞ্চলিক প্রতিনিধি (পিরোজপুর) দেবদাস মজুমদার।

ছবি-কুয়াকাটা সৈকতে মেঘবিকেল--8059

কুয়ায়াটা সমুদ্র সৈকত থেকে ছবিগুলো তুলেছেন কালের কণ্ঠের আঞ্চলিক প্রতিনিধি (পিরোজপুর) দেবদাস মজুমদার।

ছবি-কুয়াকাটা সৈকতে মেঘবিকেল--8060

কুয়ায়াটা সমুদ্র সৈকত থেকে ছবিগুলো তুলেছেন কালের কণ্ঠের আঞ্চলিক প্রতিনিধি (পিরোজপুর) দেবদাস মজুমদার।

ছবি-কুয়াকাটা সৈকতে মেঘবিকেল--8061

কুয়ায়াটা সমুদ্র সৈকত থেকে ছবিগুলো তুলেছেন কালের কণ্ঠের আঞ্চলিক প্রতিনিধি (পিরোজপুর) দেবদাস মজুমদার।

ছবি-কুয়াকাটা সৈকতে মেঘবিকেল--8062

কুয়ায়াটা সমুদ্র সৈকত থেকে ছবিগুলো তুলেছেন কালের কণ্ঠের আঞ্চলিক প্রতিনিধি (পিরোজপুর) দেবদাস মজুমদার।

ছবি-কুয়াকাটা সৈকতে মেঘবিকেল--8063

কুয়ায়াটা সমুদ্র সৈকত থেকে ছবিগুলো তুলেছেন কালের কণ্ঠের আঞ্চলিক প্রতিনিধি (পিরোজপুর) দেবদাস মজুমদার।

Friday, September 11, 2020

ফিরে আসা জিনিয়া

               এক সপ্তাহ পর আবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় দেখা মিলল শিশু জিনিয়ার। শুক্রবার মায়ের চুলের যত্ন নিচ্ছিল সে। টিএসসি এলাকায় ফুল বিক্রি করত জিনিয়া। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ফটক থেকে নিখোঁজ হওয়া জিনিয়াকে সম্প্রতি উদ্ধার করে মায়ের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি                                                                          

            এক সপ্তাহ পর আবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় দেখা মিলল শিশু জিনিয়ার। শুক্রবার মায়ের চুলের যত্ন নিচ্ছিল সে। টিএসসি এলাকায় ফুল বিক্রি করত জিনিয়া। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ফটক থেকে নিখোঁজ হওয়া জিনিয়াকে সম্প্রতি উদ্ধার করে মায়ের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি
     
 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি সংলগ্ন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ফটক থেকে নিখোঁজ হওয়া জিনিয়াকে উদ্ধার করে মা সেনুরা বেগমের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিক্রির জন্য ফুল নিয়ে আবার তার পরিচিত জায়গায় ফিরেছে নয় বছরের জিনিয়া। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি


                                                                                                                 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি সংলগ্ন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ফটক থেকে নিখোঁজ হওয়া জিনিয়াকে উদ্ধার করে মা সেনুরা বেগমের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিক্রির জন্য ফুল নিয়ে আবার তার পরিচিত জায়গায় ফিরেছে নয় বছরের জিনিয়া। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি


                 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি সংলগ্ন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ফটক থেকে নিখোঁজ হওয়া জিনিয়াকে উদ্ধার করে মা সেনুরা বেগমের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিক্রির জন্য ফুল নিয়ে আবার তার পরিচিত জায়গায় ফিরেছে নয় বছরের জিনিয়া। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি 


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি সংলগ্ন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ফটক থেকে নিখোঁজ হওয়া জিনিয়াকে উদ্ধার করে মা সেনুরা বেগমের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিক্রির জন্য ফুল নিয়ে আবার তার পরিচিত জায়গায় ফিরেছে নয় বছরের জিনিয়া। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

 

               অল্প কিছুদিনের জন্য নিজের ঠিকানা হারিয়ে ফেলেছিল নয় বছরের শিশু জিনিয়া। নারায়ণগঞ্জ থেকে উদ্ধারের পর সে আবার ফিরেছে মায়ের কাছে, নিজের পরিচিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায়। মায়ের সাথে জিনিয়ার ছবিটি শুক্রবার তোলা। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

                             

অল্প কিছুদিনের জন্য নিজের ঠিকানা হারিয়ে ফেলেছিল নয় বছরের শিশু জিনিয়া। নারায়ণগঞ্জ থেকে উদ্ধারের পর সে আবার ফিরেছে মায়ের কাছে, নিজের পরিচিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায়। মায়ের সাথে জিনিয়ার ছবিটি শুক্রবার তোলা। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি                                                                                                                                                                                                                                                                                                                    

bdnews24.com

Sunday, August 16, 2020

মানিলন্ডারিং সংক্রান্ত ভাইভা প্রশ্ন

 মানি লন্ডারিং বা অর্থশোধন (ইংরেজি: Money laundering) হল একটি অবৈধ অর্থনৈতিক কার্যক্রম। যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অবৈধ সম্পদের উৎস গোপন করার উদ্দেশ্যে সেই সম্পদের আংশিক বা পূর্ণ অংশ রুপান্তর বা এমন কোন বৈধ জায়গায় বিনিয়োগ করা হয় যাতে করে সেই বিনিয়োগকৃত সম্পদ থেকে অর্জিত আয় বৈধ বলে মনে হয়, তাকে মানি লন্ডারিং বলা হয়। অনেক ক্ষেত্রে ব্যাংকের সক্রিয় সহায়তায় মানি লন্ডারিং কার্যক্রম চলে। মানি লন্ডারিং একটি ফৌজদারী অপরাধ[১]


মানি লন্ডারিং-এর উদ্দেশ্য[সম্পাদনা]

মানি লন্ডারিং-এর প্রধান উদ্দেশ্য দুটি। প্রথমতঃ যদি অবৈধ অর্থনৈতিক কার্যক্রমের মাধ্যমে আয় হয়ে থাকে তবে সে আয়ের উৎস গোপন করা। যেমন, চোরাচালানের মাধ্যমে উপার্জিত আয় তথা আয়ের সূত্র গোপন করা। দ্বিতীয়তঃ বৈধ অর্থনৈতক কার্যক্রমের মাধ্যমে উপার্জিত আয়ের ওপর প্রদেয় আয়কর ফাঁকি দেয়া।

মানি লন্ডারিং করার প্রক্রিয়া[সম্পাদনা]

মানি লন্ডারিং করার কোন ধরাবাধা নিয়ম নেই। তবে সাধারণত তিনটি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মানি লন্ডারিং করা হয়ে থাকে।[২]

সংযোজন বা প্লেসমেন্ট[সম্পাদনা]

যখন কোন অপরাধমূলক কর্মকান্ড হতে উপার্জিত অর্থ প্রথমবারের মত অর্থ ব্যাবস্থায় প্রবেশ করানো হয় তাকে সংযোজন বা প্লেসমেন্ট বলে। যেমন- চুরি, ডাকাতি, চোরাচালান বা ঘুষের অর্থ যখন একটি ব্যাংক হিসাবে জমা করা হয় তখন তাকে সংযোজন বা প্লেসমেন্ট বলে। অবৈধ উপায়ে অর্জিত অর্থ দিয়ে জমি ক্রয়, বাড়ি বা গাড়ি ক্রয়, শেয়ার ক্রয় ইত্যাদির মাধ্যমেও প্রথমবারের মত অবৈধ অর্থ, অর্থ ব্যাবস্থায় প্রবেশ করানো হয়।

স্তরিকরন বা লেয়ারিং[সম্পাদনা]

এই প্রক্রিয়ায় সংযোজনকৃত অর্থ পর্যায়ক্রমে জটিল লেনদেনের মাধ্যমে বিভিন্ন স্তরে সরানো হয়। এই প্রক্রিয়া অর্থের উৎস গোপন করার কাজে ব্যবহৃত হয়। যেমন একটি ব্যাংক হিসাব থেকে অস্তিত্ববিহীন প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবে অর্থ স্থানান্তর, বিদেশে অর্থ প্রেরণ, ট্রাভেলার্স চেকে রুপান্তর, একটি ব্যাংক হিসাব থেকে অন্যান্ন শাখায় বিভিন্ন নামে অর্থের স্থানান্তর বা জমা দেওয়া।

পূনর্বহাল বা ইন্টিগ্রেশন[সম্পাদনা]

স্তরিকরন সফল হলে পরবর্তীতে অবৈধ অর্থ এমনভাবে ব্যবহৃত হয় যাতে করে মনে হয় এটি বৈধ পন্থায় উপার্জিত। এভাবেই লন্ডারিংকৃত অর্থ অর্থনীতিতে পূনর্বহাল হয়। যেমন অবৈধ অর্থ দিয়ে ক্রয়কৃত জমি বিক্রয় করে পুনরায় সেই অর্থ দিয়ে জমি কেনা বা বাড়ি, গাড়ি, বীমা পলিসি ঘন ঘন বাতিল এবং পূনর্বহাল করা ইত্যাদি।

অঞ্চল অনুযায়ী মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ ব্যবস্থা[সম্পাদনা]

অধিকাংশ দেশ এবং অঞ্চলে মানি লন্ডারিং একটি ফৌজদারী অপরাধ হিসেবে চিবেচিত। এজন্য বিশ্বের প্রায় সকল দেশ ও অঞ্চল মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ ব্যবস্থা হিসেবে আইন প্রণয়নসহ নানাবিধ পদক্ষেপ গ্রহন করেছে।

বাংলাদেশ[সম্পাদনা]

বাংলাদেশ সরকার ২০০২ সালে মানি লন্ডারিং আইন প্রণয়ন ও প্রবর্তন করে যার নাম "মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০০২ "। পরবর্তীতে, বাংলাদেশে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ সংক্রান্ত বিদ্যমান আইন ও অধ্যাদেশ রহিত করে "মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২" নামে নতুন একটি আইন পাশ হয়। যেহেতু মানি লন্ডারিং কার্যক্রমে মুদ্রা পাচার জড়িত এবং এতে ব্যাংকসমূহের সহায়তা প্রয়োজন, তাই এই আইন প্রয়োগের দায়িত্ব কেন্দ্রীয় ব্যাংক অর্থাৎ বাংলাদেশ ব্যাংককে দেয়া হয়েছে।[৩] উক্ত আইনে ২৮টি সম্পৃক্ত অপরাধের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। আর্থ ও সম্পত্তি অর্জন বা স্থানান্তরের উদ্দেশে উল্লেখিত সম্পৃক্ত অপরাধ সংগঠন বা এর সাথে জড়িত কার্যক্রম মানিলন্ডারিং হিসেবে বিবেচিত হয়। এই আইনে প্রদত্ত ক্ষমতা ও কার্যাবলী সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট নামে একটি পৃথক কেন্দ্রীয় সংস্থা প্রতিষ্ঠা করা হয় যেটি বাংলাদেশ ব্যাংক দ্বারা পরিচালিত হয়।[৪] উক্ত আইনে, মানিলন্ডারিং অপরাধের শাস্তি রাখা হয়েছে; (১) বেক্তির ক্ষেত্রেঃ অন্যূন ৪ (চার) বছর এবং অনধিক ১২ (বার) বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অপরাধের সাথে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির দ্বিগুন মূল্যের সমপরিমাণ বা ১০ (দশ) লক্ষ টাকা পর্যন্ত, যাহা অধিক, অর্থদণ্ড এবং (২) প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেঃ অপরাধের সাথে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির মূল্যের অন্যূন দ্বিগুণ অথবা ২০ (বিশ) লক্ষ টাকা, যাহা অধিক হয়, অর্থদন্ড এবং উক্ত প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন বাতিল করা।[৫]

ভারত[সম্পাদনা]

২০০৩ সালে ভারতীয় সংসদ মানি লন্ডারিং প্রতিরোধের জন্য "মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০০২" নামে একটি আইন পাশ করে। পরবর্তীতে, আইনটি ২০০৫, ২০০৯ এবং ২০১২ সালে সংশোধিত হয়।[৬][৭]

ইউরোপীয় ইউনিয়ন[সম্পাদনা]

২০১৫ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়ন মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ ব্যবস্থা হিসবে "চতুর্থ অ্যান্টি মানি লন্ডারিংয়ের নির্দেশিকা বা এএমএলড IV )" প্রবর্তন করে।[৮] ইউ ভুক্ত দেশসমূহ এই নিরদেশিকা অনুসরন করে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধে ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকে।

যুক্তরাজ্য[সম্পাদনা]

যুক্তরাজ্যে মানি লন্ডারিং এবং সন্ত্রাসবাদী তহবিল প্রতিরোধের জন্য পাঁচটি প্রাথমিক আইন রয়েছে যেগুলো দ্বারা এই অপরাধের মামলা পরিচালিত এবং বিচার হয়।[৯] আইনগুলো হচ্ছেঃ

  • সন্ত্রাসবাদ আইন ২০০০
  • সন্ত্রাস দমন, অপরাধ ও সুরক্ষা আইন ২০০১
  • প্রসিড'স অব ক্রাইম অ্যাক্ট ২০০২
  • গুরুতর সংগঠিত অপরাধ ও পুলিশ আইন ২০০৫
  • নিষেধাজ্ঞা এবং অ্যান্টি-মানি লন্ডারিং আইন ২০১৮

যুক্তরাষ্ট্র[সম্পাদনা]

যুক্তরাষ্ট্রে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধের জন্য নেয়া ব্যবস্থাসমূহ সাধারণত

Friday, August 7, 2020

নবাবগঞ্জের দৃশ্যপটকে পাল্টে দিয়েছে যে গ্রাম-

গ্রামের নাম বলমন্তচর। নিকটবর্তী গ্রামের নাম আলগীচর ও যন্ত্রাইল। এই দুটি গ্রাম সুপরিচিত হলেও বর্তমান  সময়ে সামনে চলে আসছে বলমন্তচরের নাম। ইছামতি নদীর কোল ঘেষে গড়ে উঠা বেশ কয়েকটি  দৃষ্টিনন্দিত অবকাঠামো নির্মাণের জন্য। ৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে বেশ কিছু তরুন যুদ্ধে অংশ গ্রহন করেন। কালের বির্বতনে অনেক কিছু পরিবর্তন হয়ে যায়।  এক সময় ইছামতি নদীতে একমাত্র লঞ্চের মাধ্যমে ঢাকা আসা যাওয়া করা হতো। সেই সময়  লঞ্চ থেকে বলমন্তচর গ্রামটিকে দেখা যেতো। সরাসরি যোগাযোগের পথ ছিলো না। ইছামতি পারাপার হওয়ার জন্য নৌকাই ছিলো ভরসা। সেই সময় ক্লাব, মাঠ, মসজিদ কবরস্থান ছিলো। কিন্ত  অবকাঠামোগত কোন উন্নয়ন ছিলো না। পালাক্রমে পরিবর্তন আসতে শুরু করলে বলমন্তচর গ্রামের লোকজন দীর্ঘ মেয়াদী পরিবর্তনে নজর দেন। সেই সময় মসজিদ, মাঠ এবং কবরস্থান নিয়ে পরিকল্পনা গ্রহন করতে থাকেন। ধীরে ধীরে গত ১০ বছরের মধ্যেই বাস্তবায়ন করে এখন সকলের দৃষ্টিতে চলে আসেন।এখন  আশেপাশের উপজেলার লোকজন গাড়ী থেকেই ইছামতি নদীতে গড়ে উঠা গ্রামটি দৃশ্য দেখে মুগ্ধ হয়ে যান।  ইছামতি নদীর নাব্যতা এবং পরিচ্ছন্ন রাখার সর্বপ্রথম ডাক এই গ্রাম থেকেই দেওয়া হয়। পালাক্রমে এই ডাক এখন পুরো ৫টি উপজেলায়ই ছড়িয়ে পড়ছে।  যদি কোন দিন  আবার ইছামতি নদীতে লঞ্চ চলাচল করে তাহলে যাত্রীরা এই প্রাকৃতিক দৃশ্যের সাথে এই রকম দৃষ্টিনন্দিত দৃশ্য দেখে আকৃষ্ট না হয়ে পারবেন না। গতকাল গ্রামটির উপর আমার একটি লেখা আগামীর সংবাদ.কম এবং ৩৯নিউজ.কম এর ছাপা হয়েছে। কিন্তু পত্রিকায় এতো নয়নাভিরাম দৃশ্য তুলে ধরা সম্ভবপর হয়ে উঠেনি বিধায় পাঠকদের সুবিধার্থে আজ গ্রামের আরও কিছু ছবি তুলে ধরা হলো।

আগামীসংবাদ.কমঃ https://dailyagamirsongbad.com/news/13621/

৩৯নিউজ.কম ঃ http://news39.net/%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%87-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%96%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%87 পাঠকদের জানার লক্ষ্যে তুলে ধরছি অবকাঠামোসমূহঃ  ছবিঃ বলমন্তচর গ্রামের ছবি। এই দৃশ্য থেকে পথিক আজ থমকে দাঁড়ায়। ৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়ের তরুন সমাজের বিশাল একটি অংশ। একতা এবং সুষ্ঠ পরিকল্পনা গ্রামটিকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করছে। এটি বলমন্তচর কবরস্থানের প্রবেশ পথ। যেখানে মহান মুক্তিযুদ্ধাদের জন্য কবরস্থান সংরক্ষিত রাখা হয়েছে।।

 
ছবিঃ কবরস্থানের প্রবেশ পথ।  আজ থেকে শত বছর পরে হয়তো এই দৃশ্য দেখে আধুনিকতাকেই খুঁজে পাবেনঃ 
ছবিঃ খেলাধূলায়ও পিছিয়ে নেই গ্রামটি। উপজেলার ভাইস- চেয়্যারম্যান জনাব  তাবির হোসেন পাভেল  প্রবীণ খেলোয়াড়দের সাথে পরিচিত হচ্ছেন। উল্লেখ্য জনাব পাভেল এর গ্রামের নামই বলমন্তচর।   
ছবিঃ উপজেলার সম্মানীত চেয্যারম্যনা জনাব নাসির উদ্দিন আহামেদ ঝিলু- ক্লাবে খেলার সামগ্রী উপহার দিচ্ছেন।ইছামতি পার ঘেষেই সকল প্রতিষ্ঠানগুলো দাঁড়িয়ে রয়েছে।  ইছামতিকে সাক্ষী হিসাবে মেনে নিয়েছেন। মসজিদ, মিনার, খেলার মাঠ, প্রাথমিক বিদ্যালয়, ক্লাবঘর এবং নজর কাড়া কবরস্থান দেখে মুগ্ধ হচ্ছেন সকলেই। 
ছবিঃ বলমন্তচর জামে মসজিদ-দূর থেকে মুগ্ধ হয়ে যায় দৃশ্য দেখে।
ছবিঃ মহাকবি কায়কোবাদের আজানের ধ্বনি শুনতে পাওযা যায় এই মিনার থেকে।
ইছামতির নদীঃ কালের সাক্ষী হয়ে নদী পারাপার করে যাচ্ছেন গোবিন্দ ( সকলেই গবরা বলে ডাকেন)। ছোট বেলার সেই নৌকার মাঝি আজও নদী পারাপার করে যাচ্ছেন। এখন  সে ইতিহাসের ।

ছবিঃ জীবনটা  ইছামতিতেই কাটিযে দিয়ে যাচ্ছেন গবরা মাঝি। আমার স্মৃতিতে যতদূর মনে হয  কমপক্ষে ৫০ বছর বছর যাবৎ নদী পারাপার করে যাচ্ছেন। সেই সময়ে বাগমারাতে নৌকা পারাপার করতেন। বর্তমানে বাগমারাতে ব্রীজ হওয়াতে গবরা এখন সূরগঞ্জ- বলমন্তচরে পারাপার করে যাচ্ছেন।


ছবিঃ মাদকের গ্রাস থেকে যুব সমাজকে রক্ষায় খেলাধূলার বিকল্প নেই। বলমন্তচর স্পোর্টিং ক্লাব অবদান রেখে চলছেন। বর্ষা মৌসুমে এক অপরুপ দৃশ্য বিরাজ করে ইছামতি নদীতে। ভরপুর বর্ষায় নৌকায় করে ঘুরে বেড়ান অনেকেই। অনেক বৃক্ষ, লতা পাতা হেলে পানিতে দুল খায়। পানিতে হেলে পড়া একটি ফুল গাছ বন্ধুর নজড়  এড়াতে পারেনি। ছবিতেঃ ইছামতিতে হেলে পড়া ফুলের গাছ- ইছামতিকে আরও আকর্ষনীয় করে তুলছে।
যে কোন কাজ করার পূর্বে পরিকল্পনার দরকার। পরিকল্পনা অনুযায়ী অবকাটামো উন্নয়ন করা হলে এমন ফল পাওয়া যায়- বলমন্তচর গ্রাম সেটি করে দেখিয়ে দিয়েছেন।
ছবিঃ নদী, নৌকা এবং প্রানের বলমন্তচর গ্রাম- দূর থেকে দেখা।কবর- যে পথ অনন্ত অসীম। কিয়মত পর্যন্ত যেখানে থাকতে হবে প্রত্যেক মানুষকে। তাই কবরস্থানে অনেকেই অনুদান রাখছেন। পরকালের শান্তির জন্য।প্রানের ইছামতি নদীঃ যাকে  বাঁচাতে আমাদের এতো শ্রম।
ছবিঃ নবাবগঞ্জের বক্ষে বয়ে চলা ইছামতি নদী।
 
 
 
মৃত্যু এবং অতঃপর কবর। সেই কবরস্থানের সাজানো কবরগুলো দেখুন

ছবিঃ কবরের প্রবেশ পথ- ভিতরের দৃশ্য। এটি একটি পরিচ্ছন্ন কবরস্থান- যা সচারচর দেখা যায় না।
  
ছবিঃ কবরের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে। প্রায় ৮৪ শতাংশ জমির উপর নির্মিত বলমন্তচর কবরস্থান।
 
 
 
 মসজিদের পাশেই কবরস্থানঃ
 
ছবিঃ বলমন্তচর কবরস্থানের ভিতরের দৃশ্য। “ তোমার সমাধী ফুলে ফুলে ঢাকা - কে বলে আজ তুমি নেই- তুমি আছো মন বলে তাই।
 
গ্রামকে বদলে দিয়েছে- বলমন্তচর কবরস্থান।