বিনয়, বাদল, দীনেশ ও সেই বিখ্যাত 'Veranda Battle'
ঢাকার
মিটফোর্ড হাসপাতালে লোম্যানকে হত্যার ঘটনার পর ঢাকায় সর্বত্র পুলিশের
অমানুষিক অত্যাচার শুরু হয়। প্রকাশ্য দিবালোকে বাংলার ইন্সপেক্টর জেনারেল
অব পুলিশ এফ জে লোম্যানকে হত্যা করার পর এক আততায়ীর নিরাপদে পালিয়ে যাওয়ার
ঘটনা ঢাকা পুলিশের অকর্মণ্যতার পরিচায়ক। সুতারং অকর্মণ্যতার গ্লানি দূর
করার জন্য আসামীর সন্ধান করতে পুলিশ হন্যে হয়ে ওঠে। যুবকদের ধরে থানায় আটক
রেখে নির্যাতন চালায়। পুলিশের অন্যায় অত্যাচারে অতিষ্ট হয়ে উঠে ঢাকাবাসী।
পুলিশের ভয়ে অনেক স্কুল-কলেজের ছাত্ররা ঢাকা ছেড়ে গ্রামে চলে যায়।
লোম্যান
হত্যাকারী আততায়ীকে পুলিশ ধরতে সক্ষম না হলেও আততায়ী যুবক সম্পর্কে তথ্য
সংগ্রহ করতে পেরেছিল। বিনয় কৃষ্ণ বসু জন্মেছিলেন ১৯০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর।
ঢাকা জেলার মুন্সিগঞ্জ মহকুমার রোহিতভোগ গ্রামে। তাঁর বাবার নাম রেবতীমোহন
বসু। বিনয়ের বাবা পরিবার নিয়ে ঢাকাতে বসবাস করতেন। তাই বিনয় বসু ছোটবেলা
থেকে ঢাকায় বড় হয়েছেন। সম্ভবতঃ ঢাকা কলেজিয়েট স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পাস
করার পর তিনি মিটফোর্ড মেডিকেল স্কুল (বর্তমানের স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল
কলেজ) এ ভর্তি হন। এই সময় বিনয় বসু বিপ্লবী রাজনীতিতে যুক্ত হন।
ব্রিটিশবিরোধী বিপ্লবী হেমচন্দ্র ঘোষের সংস্পর্শে এসে বিপ্লববাদী যুগান্তর
দলে যুক্ত হন তিনি। বিপ্লবী দলে যুক্ত হওয়ার পর সহপাঠীদের অনেককেই বিপ্লবী
দলে যুক্ত করেন। ১৯২৮ সালে তিনি ও তাঁর সহপাঠী সহযোদ্ধারা নেতাজী সুভাষ
চন্দ্র বসুর “বেঙ্গল ভলান্টিয়ার্স” এ যুক্ত হন। এই বিপ্লবী দলে যুক্ত
হওয়ার অল্পদিনের মধ্যেই বিনয় বসু এই দলের ঢাকা শাখা গড়ে তোলেন।
ঢাকা
থেকে বহু বিপদ-আপদের পথ পাড়ি দিয়ে বিনয় বসু কোলকাতা পৌঁছলেও নেতৃবৃন্দ
নিশ্চিন্ত বোধ করেননি। তাঁরা বিনয়কে সর্বোচ্চ নিরাপদ স্থানে রাখার জন্য
‘কাতারামগড়’ কোলিয়ারীতে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। অন্যদিকে কোলকাতা পুলিশ
সবগুলো রেলস্টেশনে বিনয়কে ধরবার জন্যে বিশেষ সতর্ক দৃষ্টি রেখেছিল।
ব্যান্ডেল স্টেশনে সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী বন্দুক হাতে প্রস্তুত। দুই-তিন
মিনিটের মধ্যেই কোলকাতাগামী ট্রেন এসে পৌঁছাবে। তাঁদের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা
সবগুলো কামরা বিশেষভাবে তল্লাশি করার নির্দেশ প্রদান করেছেন। কারণ এই
গাড়ীতেই বিনয় বসুর থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। ট্রেন এসেছে এমন সময় জেলা
ম্যাজিস্ট্রেটের মোটর গাড়ি দেখে পুলিশ বিস্মিত হল। তারা দেখল মোটর গাড়ি হতে
নামলেন জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কনফিডেন্টসিয়াল ক্লার্ক সরোজ রায় এবং তাঁর
সঙ্গে দুজন আত্মীয়। আত্মীয় দুজনকে ট্রেনের কামরায় তুলে দিয়ে হাসি মুখে
পুলিশকে "চারদিকে নজর রেখো" বলে সাবধান করে সরোজ বাবু গাড়িতে উঠে চলে
গেলেন। সরোজ বাবুর আত্মীয় দুজনের একজন ছিলেন বিনয় বসু।
বিনয়
বসু কাতারামগড় কোলিয়ারীতে অনাথ দাশগুপ্তের বাড়ী চলে গেলেন। এই বাড়ি ছিলো
বিপ্লবীদের আরেকটি গোপন আস্তানা। সেখান থেকে তিনি কিছুদিন পর ফিরে এলেন
কোলকাতায়। নেতারা চিন্তিত হয়ে পড়লেন বিনয়ের নিরাপত্তার জন্যে। বিপ্লবীরা
নেতৃবৃন্দের কাছে এব্যাপারে পরামর্শ চাইলে আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র, লেডী
অবলা বসু, শরৎ বসু, সুভাষ বসু, শরৎ চাটার্জিসহ প্রায় সকল নেতাই আত্মরক্ষার
জন্য বিনয় বসুকে বিদেশে পাঠিয়ে দেয়ার উপদেশ দেন। সেই মত তাঁকে বিদেশ
পাঠানোর জন্য কিংস-বর্জ ডকের জনৈক পদস্থ কর্মচারীকেও ঠিক করা হল। পরদিন
তাঁকে সমুদ্রগামী একখানা জাহাজে তুলে দেওয়া হবে। যাতে করে তিনি সোজা
ইটালীতে যেতে পারেন। কিন্তু সকল পরামর্শ ও প্রস্তুতির অবসান ঘটালেন বিনয়
নিজেই, কিছুতেই মাতৃভূমি ছেড়ে যাবেন না তিনি, জানিয়ে দিলেন নেতাদের।
ওই
বছর ইংরেজ শাসকগোষ্ঠীর অত্যাচার-নির্যাতন শতগুণে বেড়ে যায়। শত শত রাজনৈতিক
নেতা-কর্মী ও বিপ্লবীদের গ্রেফতার করে জেলে আটক রেখে চলে নির্যাতন। এই সময়
ব্রিটিশ পুলিশ সুভাষচন্দ্র বসু, যতীন্দ্রমোহন সেনগুপ্ত এবং সত্য বক্সীর
মতো নেতৃত্বকেও গ্রেফতার করে আলিপুর সেন্ট্রাল জেলে আটকে রাখে। একের পর এক
নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করায় আলিপুর সেন্ট্রাল জেলের নির্দিষ্ট ওয়ার্ডে
নতুন বন্দীদের জায়গা দেওয়া যাচ্ছিল না। জেলের মধ্যে সৃষ্টি হলো এক অসহনীয়
অবস্থা। রাজবন্দীদের মধ্যে বিক্ষোভ দানা বেঁধে উঠছিল। তাঁরা জেলকোড অনুযায়ী
কয়েকটি দাবিতে আন্দোলন শুরু করে। এই আন্দোলন দমানোর জন্য ব্রিটিশ পুলিশ
বেদমভাবে লাঠি চালায়। চলে নির্মম-নিষ্ঠুর অত্যাচার। সুভাস বসু,
যতীন্দ্রমোহন এবং সত্য বক্সীরাও বাদ গেলেন না এই অত্যাচার থেকে। এ ঘটনার
খবর ছড়িয়ে পড়ল জেলের ভিতরে। জানা গেল এই অত্যাচারের পিছনে রয়েছে ইন্সপেক্টর
জেনারেল কর্নেল এনএস সিম্পসন। বিপ্লবীদের টার্গেট হলো কারা বিভাগের
ইন্সপেক্টর জেনারেল লে. কর্নেল সিম্পসন। যিনি বসতেন ‘রাইটার্স বিল্ডিং’এ।
বন্দীদের উপর পাশবিক নির্যাতনের জন্য কুখ্যাত ছিল সিম্পসন। তাই সিম্পসনের
নাম হত্যা তালিকার শীর্ষে ছিল।
তাই
বিপ্লবীদের পরবর্তী অভিযান ছিল কোলকাতার ‘রাইটার্স বিল্ডিং’ আক্রমণ।
অসংখ্য পুলিশ প্রহরী পরিবেষ্টিত দুর্ভেদ্য অফিস ‘রাইটার্স বিল্ডিং’। এই ভবন
আক্রমণ করে সেখান থেকে ফেরার আশা কেউ করতে পারে না। বিপ্লবী নেতৃবৃন্দের
মধ্যে আলোচনা চলল কে এই আক্রমণ পরিচালনা করবেন? বিপ্লবী নেতারা অনেক
ভেবেচিন্তে এই দুঃসাহসী অভিযান পরিচালনার দায়িত্ব দিলেন বিনয় বসুকে। তাঁর
সঙ্গী হলেন আরো দুজন নির্ভীক যুবক। মুন্সিগঞ্জ মহকুমার যশোলঙের সতীশচন্দ্র
গুপ্তের পুত্র দীনেশ গুপ্ত ও মুন্সিগঞ্জ মহকুমার পূর্ব শিমুলিয়ার অবনী
গুপ্তের পুত্র সন্তান বাদল গুপ্ত।
১৯১১
সালের ৬ই ডিসেম্বর তদানীন্তন ঢাকা জেলার যশোলঙে জন্মগ্রহণ করেন বিপ্লবী
দীনেশ গুপ্ত। দীনেশের ডাক নাম ছিল - নসু। পিতা নাম ছিল সতীশচন্দ্র গুপ্ত
এবং মাতার নাম ছিল বিনোদিনী দেবী। চার ভাই এবং চার বোনের মধ্যে দীনেশ ছিলেন
পিতামাতার তৃতীয় সন্তান। যখন দীনেশের নয় বছর বয়স হয় তখন তিনি ভর্তি হন
' ঢাকা কলেজিয়েট ' স্কুলে। কিশোর বয়সে দীনেশ ' বেঙ্গল ভলান্টিয়ার্স ' এ
যোগ দেন। ১৯২৬ সালে ঢাকা বোর্ড থেকে ম্যাট্রিক পাস করার পর তিনি
মেদিনীপুরে তাঁর বড়োদাদা যতীশচন্দ্রের কাছে বেড়াতে যান। এই সময় থেকেই
মেদিনীপুর শহরে বিপ্লবী সংগঠন গড়ে তোলার সুপ্ত বাসনা তার মধ্যে জাগে। তবে
দলের নির্দেশে সেবার তাঁকে ঢাকায় চলে আসতে হয়েছিল বলে তিনি মেদিনীপুরে
বিশেষ কিছুই করতে পারেননি। ১৯২৮ সালে তিনি ঢাকা কলেজ থেকে আই.এস.সি পরীক্ষা
দেন। কিন্তু সেই পরীক্ষায় দীনেশ অকৃতকার্য হন। এরপর তিনি মেদিনীপুর গিয়ে
পড়াশোনা শুরু করেন। এই সময় মেদিনীপুরে বিভিন্ন শাখা স্থাপনের দায়িত্ব
তাঁকে দেওয়া হয়। ঢাকা কলেজে পড়ার সময় ১৯২৮ সালে দীনেশ ' ভারতীয় জাতীয়
কংগ্রেসে'র কলকাতা সেশনের প্রাক্কালে নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বোস সংগঠিত '
বেঙ্গল ভলান্টিয়ার্স ' এ যোগদান করেন।
আর
বাদল গুপ্ত ১৯১২ সালে ঢাকার বিক্রমপুর এলাকার পূর্ব শিমুলিয়া গ্রামে
জন্মগ্রহণ করেন বাদল গুপ্ত। তাঁর আসল নাম ছিল সুধীর গুপ্ত, তবে সকলে তাঁকে
বাদল বলেই ডাকতো। বাদলের পিতার নাম ছিল অবনী গুপ্ত। ছোটো বেলা থেকেই বাদল
ছিল প্রচন্ড রাগী। তবে একটু বড় হওয়ার পর তার সেই মানসিকতা পাল্টায়।
স্কুলে পড়ার সময় বাদল বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিকুঞ্জ সেনের সংস্পর্শে আসে।
তার সান্নিধ্য থেকেই বাদল গুপ্ত স্বদেশি রাজনীতি সঙ্গে জড়িয়ে পরে।
নিকুঞ্জ সেন ছিলেন বিপ্লবী দলের সদস্য। এই শিক্ষকের হাত ধরেই খুব সম্ভবত
নবম বা দশম শ্রেণীতে পড়ার সময় বাদল গুপ্ত ' বেঙ্গল ভলান্টিয়ার্স' (
বি.ভি) নামে একটি গুপ্ত বিপ্লবী সংগঠনের সাথে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন।
অল্পদিনের মধ্যেই বাদল এই সংগঠনের একজন সক্রিয় সদস্য হিসাবে নিজেকে প্রকাশ
করেন।
কিশোর
বয়স থেকেই বিনয় বসু, দীনেশ গুপ্ত ও বাদল গুপ্ত পরস্পর পরিচিত ছিলেন।
বিপ্লবী নেতারা স্থির করলেন ভারত সরকারের সরকারী অফিসের সর্বাপেক্ষা
শক্তিশালী কেন্দ্রস্থল 'রাইটার্স বিল্ডিং'আক্রমণ করে দেখাতে হবে যে
বিপ্লবীরা সক্রিয় রয়েছেন। তাঁদের একজনকে জেলে বন্দী করলে দশজন অগ্রসর হয়।
১৯৩০
সালের ৯ই ডিসেম্বর। আগের দিন দুই বিপ্লবী বাদল এবং দীনেশ সরেজমিনে দেখে
এসেছেন রাইটার্স বিল্ডিংয়ের আশপাশ। বিনয়ের পক্ষে সম্ভব ছিল না প্রকাশ্য
দিবালোকে রাইটার্স বিল্ডিং এলাকায় যাওয়া। প্রফুল্ল দত্ত, সুপতি রায়,
নিকুঞ্জ সেন এবং রসময় সুর সবাই মিলে ছবি একে বিপ্লবীদের বুঝিয়ে দিলেন
রাইটার্স বিল্ডিংয়ের ভিতরটা। নিয়ে ট্যাক্সি বদল করে ঠিক দুপুর বারোটায়
রাইটার্স বিল্ডিং পৌছলেন তিন বিপ্লবী। তিনজনেই ইউরোপীয় পোষাক পরা সাহেব।
পিওনের হাতে ধরিয়ে দিলেন নতুন ভিজিটিং কার্ড “ মিঃ বি,এন, দে” অনুমতি মিলল
ভেতরে যাওয়ার। সাহেব সিম্পসন তখন টেবিলে ঝুকে পড়ে কাগজ দেখছেন। তিনজন
ভিতরে ঢুকতেই মুখ তুলে চাইলেন সাহেব।“ফায়ার” চিৎকার করে উঠলেন বিনয়। গুলি
চালালেন তারা। মাটিতে লুটিয়ে পড়লেন সিম্পসন। সাহেবের পি,এ টেবিলের নীচে
লুকিয়ে বেচে গেলেন। তিনজনে বেরিয়ে এলেন সিম্পসনের ঘর থেকে। কিন্তু
ততক্ষনে পাহারারত পুলিস এগিয়ে আসছে বারান্দা দিয়ে। এগিয়ে আসছেন কুখ্যাত
পুলিস কমিশনার চার্লস টেগার্ট। বৃটিশদের হাতে ধরা দেবেন না তারা এমন সংকল্প
ছিল তাদের। যতক্ষন রিভলভারে গুলি ছিল তারা এই অসম যুদ্ধ করে গেলেন। সামনে
যে বৃটিশকে পেলেন তাকেই গুলি করলেন তারা। তাদের গুলিতে আহত হলেন অপর দুইজন
বৃটিশ সাহেব- নেলসন এবং টিয়ানম্যান। রাইটার্স বিল্ডিঙের করিডোরে শুরু হল
যুদ্ধ, স্টেটসম্যান পত্রিকা এই যুদ্ধকে নাম দিয়েছিল “veranda battle” “বারান্দা যুদ্ধ”।
রাইটার্স
বিল্ডিং থেকে বের হয়ে আসা সম্ভব ছিল না তা ভাল ভাবেই জানতেন তিন বিপ্লবী।
তারা জানতেন মৃত্যুকেই তারা বরন করতে যাচ্ছেন। ফুরিয়ে এসেছে গুলি। আশ্রয়
নিলেন সচিবালয়ের খালি পাসপোর্ট ঘরে। সেখানে চেয়ারে বসেই সায়ানাইডের
ক্যাপসুল খেলেন বাদল। আর নিজেদের রিভলভার দিয়ে নিজেদেরকে গুলি করে
আত্মহত্যার চেস্টা করলেন বিনয় এবং দীনেশ। ১৪ ডিসেম্বর হাসপাতালে মারা যান
বিনয়। হাসপাতালে অজ্ঞান অবস্থায় বিনয় উচ্চারন করেছিলেন দুর্বোধ্য শব্দ
“লেফট রাইট লেফট।
দীনেশ
বেচে ওঠেন। তাকে বিচার করে ফাঁসি দেয় ইংরেজ সরকার ১৯৩১ সালের ৭ই জুলাই ।
জেলখানা থেকে অনেকগুলো চিঠি লেখেন দীনেশ। সে চিঠিতে জেলে নেতাজী সুভাস
বোসের পদধুলি নিতে পারার কারনে নিজেকে ভাগ্যবান হিসেবে বর্ননা করেন দীনেশ।
তাঁদের
স্মৃতিকে শাশ্বতকাল স্মরণীয় করবার জন্যই কলকাতায় ডালহৌসী স্কোয়ারের নাম
পরিবর্তন করে 'বিনয়-বাদল-দীনেশবাগ” (বি বা দী বাগ) রাখা হয়েছে ।
সূত্রঃ
১। অগ্নিযুগের ইতিহাস: ব্রজেন্দ্রনাথ অর্জুন। প্রকাশক: মুক্তধারা। প্রকাশকাল; ডিসেম্বর ১৯৭৯।
২। স্বাধীনতা সংগ্রামে সশস্ত্র বিপ্লবীদের ভূমিকা: সুধাংশু দাশগুপ্ত, ন্যাশনাল বুকস এজেন্সি কলকাতা।
৩। ফাঁসির মঞ্চে গেয়ে গেল যারা: চিন্ময় চৌধুরী। দে'জ পাবলিকেশন, কলকাতা। প্রকাশকাল: জানুয়ারী ১৯৯৮।
৪। somewhereinblog.com
৫। উইকিপিডিয়া
37 Comments
No comments:
Post a Comment