Friday, April 24, 2020

দেশে আক্রান্ত বাড়লেও মৃত্যু কমেছে

► ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ শনাক্ত ৫০৩, মৃত্যু ৪
► মোট ৩৯৭৭৬ পরীক্ষায় শনাক্ত ৪৬৮৯, মৃত্যু ১৩১, সুস্থ ১১২
► মোট আক্রান্ত ৬০ জেলা




দেশে আক্রান্ত বাড়লেও মৃত্যু কমেছে

নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা মাঝে দুই দিন কিছুটা কম থাকলেও গত বৃহস্পতিবার সকাল থেকে গতকাল শুক্রবার সকাল পর্যন্ত তা আবার বেড়ে গেছে। এই ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরো ৫০৩ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে, যা এ পর্যন্ত এক দিনের হিসাবে সর্বোচ্চ। তবে কমেছে মৃত্যুর সংখ্যা। শেষ ২৪ ঘণ্টায় চারজনের মৃত্যু হয়েছে। সুস্থ হয়েছেন আরো চারজন।
এ নিয়ে দেশে মোট ৩৯ হাজার ৭৭৬ জনের নমুনা পরীক্ষা করে মোট চার হাজার ৬৮৯ জন করোনা আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে মারা গেছেন ১৩১ জন ও সুস্থ হয়েছেন ১১২ জন। বাকি চার হাজার ৪৪৬ জন বাসা ও হাসপাতালে আছেন।
কভিড-১৯ পরিস্থিতি নিয়ে গতকাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা এ তথ্য জানান। এর বাইরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আরেক তথ্য অনুসারে গতকাল পর্যন্ত দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ৬০টিতে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। সব শেষ যুক্ত হয়েছে নাটোর জেলা।
বুলেটিনে জানানো হয়, ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া চারজনের সবাই পুরুষ, বয়স ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে। সবাই ঢাকার বাসিন্দা। গত ২৪ ঘণ্টায় আগের দিনের তুলনায় ৭.৯০ শতাংশ নমুনা পরীক্ষা বেশি হয়েছে। শনাক্ত বেড়েছে আগের দিনের তুলনায় ১৭.৭০ শতাংশ এবং মৃত্যু কমেছে ৭৫ শতাংশ। ঢাকায় পরীক্ষা হয় দুই হাজার ৪৭৩টি ও ঢাকার বাইরে এক হাজার ২৩৯টি। সব মিলিয়ে ঢাকায় পরীক্ষা হয় ২৭ হাজার ৫৮৮ ও ঢাকার বাইরে ১২ হাজার ১৮৮।
গতকাল পর্যন্ত মোট কোয়ারেন্টিনে ছিলেন এক লাখ ৭১ হাজার ৮৪৬ জন। এর মধ্যে ৭৬ হাজার হোম কোয়ারেন্টিনে ও ছয় হাজার ৫১৩ জন প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে। ৮৯ হাজার ১১২ জন কোয়ারেন্টিনমুক্ত হয়েছেন, বাকি ৮২ হাজার ৭৩৪ জন কোয়ারেন্টিনে আছেন। শেষ ২৪ ঘণ্টায় কোয়ারেন্টিনে যুক্ত হয়েছেন তিন হাজার ৪৯৬ ও মুক্ত হয়েছেন পাঁচ হাজার ৯৫ জন। এখন পর্যন্ত মোট ছয় হাজার প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিন সেন্টার প্রস্তুত রয়েছে, যেখানে ৩০ হাজার ৬৬৫ জনকে রাখা যাবে।
বুলেটিনে মানুষকে সতর্ক করে আগের মতোই জানানো হয়, ঘরে থাকা ও সামাজিক দূরত্ব মেনে চলা এবং বারবার ২০ সেকেন্ড সময় নিয়ে সাবান-পানি দিয়ে হাত ধোয়ার পরামর্শ অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। ইফতারের পর বেশি করে তরল খাবার গ্রহণ, গরম পানি, আদা-চা পান করা এবং গরম পানি দিয়ে গড়গড়া করা স্বাস্থ্যকর বিষয় হবে।
সরকারের নির্দেশনা অনুসারে রমজানে এশা ও তারাবির নামাজ ঈমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম, হাফেজসহ সর্বোচ্চ ১২ জন মসজিদে আদায় করতে হবে। ইফতারের জন্য কোনো রকম সামাজিক আয়োজন বা মাহফিল না করতে বলা হয়েছে।

No comments:

Post a Comment