নভেল করোনাভাইরাস (কভিড-১৯) সংক্রমণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অন্তত ২৫৬
জন প্রবাসী বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। সরকারি সূত্রগুলো বলছে, এ বিষয়ে
সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া কঠিন। কারণ প্রবাসী বাংলাদেশিদের অনেকেই দ্বৈত
নাগরিক কিংবা ওই দেশগুলোর স্থায়ী বাসিন্দা। অনেক দেশই মৃত ব্যক্তির তথ্য
তাঁর পরিবারের সদস্য ছাড়া অন্যদের জানান না। আবার অনেক দেশ আক্রান্ত বা মৃত
ব্যক্তির জাতিগত পরিচয়ও প্রকাশ করে না।
আড়াই শর বেশি প্রবাসীর মৃত্যুর খবর বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের মাধ্যমে জানা যায়। তাঁদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ১৭০ জন, যুক্তরাজ্যে ৬০ জন, সৌদি আরবে চারজন, কুয়েতে তিন বা চারজন। বাকিরা অন্যান্য দেশের।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা বলেন, আক্রান্ত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্যক্তিদের অনেকে নিজেদের পরিচয় প্রকাশ করতে চান না। প্রবাসে এক কোটিরও বেশি বাংলাদেশি আছেন। তাঁরা এমন অনেকে দেশে বসবাস করছেন যেখানে করোনাভাইরাসের ব্যাপক সংক্রমণ দেখা দিয়েছে এবং অনেক মৃত্যু হচ্ছে। তবে প্রবাসী বাংলাদেশিদের আক্রান্ত হওয়ার খবরাখবরের পাশাপাশি উল্লেখযোগ্যসংখ্যক ব্যক্তির সুস্থ হওয়ার তথ্যও পাওয়া যায়।
এদিকে সিঙ্গাপুরে দুই হাজার ১০০ জনেরও বেশি বাংলাদেশি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানা গেছে। সিঙ্গাপুরের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত শুক্রবার অন্তত ৩৭৬ জন বাংলাদেশির করোনাভাইরাস ধরা পড়েছে। তাঁদের বেশির ভাগই শ্রমিক।
সিঙ্গাপুর সরকার প্রবাসী শ্রমিকদের সুরক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে। প্রায় দুই মাস ধরে নিবিড় পরিচর্যা ইউনিটে (আইসিইউ) চিকিৎসা নেওয়ার পর গত বৃহস্পতিবার একজন বাংলাদেশি কর্মীর অবস্থার উন্নতি হয়েছে। তাঁকে এখন সাধারণ ওয়ার্ডে রাখা হয়েছে।
সিঙ্গাপুরের বাইরে কাতারে পাঁচ শতাধিক বাংলাদেশি কর্মী করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন। এ ছাড়া সৌদি আরবে সংক্রমিত রোগীদের মধ্যেও বাংলাদেশিরা আছেন। গত সপ্তাহে মদিনায় চার হাজার বাংলাদেশিকে করোনা পরীক্ষায় রাজি করানো হয়েছে। তবে প্রবাসীদের করোনা পরীক্ষায় রাজি করাতে দায়িত্ব পালনকারী জেদ্দায় বাংলাদেশ মিশনের কাউন্সেলর (শ্রম) নিজেই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।
কূটনৈতিক সূত্রে জানা যায়, করোনাভাইরাস মহামারির কারণে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে বিরূপ প্রভাব পড়ছে। মধ্যপ্রাচ্যসহ প্রবাসে বাংলাদেশের শ্রমবাজার সংকুচিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে অবৈধ বা চাকরি হারানো কর্মীদের দেশে ফিরতে হতে পারে।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় ঘোষণা দিয়েছে, বিদেশফেরত প্রত্যেক কর্মী বাংলাদেশে ফেরার পর বিমানবন্দর থেকে বাড়ি ফেরার খরচ বাবদ পাঁচ হাজার টাকা পাবে। এ ছাড়া কোনো প্রবাসী কর্মী করোনাভাইরাসে মারা গেলে তাঁর পরিবার পাবে তিন লাখ টাকা।
বিদেশফেরত কর্মীরা যাতে এ দেশে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে বিশেষ করে কৃষি খাতে নিজেকে সম্পৃক্ত করতে পারে সে জন্য প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় প্রত্যেকের জন্য পাঁচ লাখ থেকে সাত লাখ টাকা ঋণের ব্যবস্থা করবে।
আড়াই শর বেশি প্রবাসীর মৃত্যুর খবর বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের মাধ্যমে জানা যায়। তাঁদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ১৭০ জন, যুক্তরাজ্যে ৬০ জন, সৌদি আরবে চারজন, কুয়েতে তিন বা চারজন। বাকিরা অন্যান্য দেশের।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা বলেন, আক্রান্ত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্যক্তিদের অনেকে নিজেদের পরিচয় প্রকাশ করতে চান না। প্রবাসে এক কোটিরও বেশি বাংলাদেশি আছেন। তাঁরা এমন অনেকে দেশে বসবাস করছেন যেখানে করোনাভাইরাসের ব্যাপক সংক্রমণ দেখা দিয়েছে এবং অনেক মৃত্যু হচ্ছে। তবে প্রবাসী বাংলাদেশিদের আক্রান্ত হওয়ার খবরাখবরের পাশাপাশি উল্লেখযোগ্যসংখ্যক ব্যক্তির সুস্থ হওয়ার তথ্যও পাওয়া যায়।
এদিকে সিঙ্গাপুরে দুই হাজার ১০০ জনেরও বেশি বাংলাদেশি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানা গেছে। সিঙ্গাপুরের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত শুক্রবার অন্তত ৩৭৬ জন বাংলাদেশির করোনাভাইরাস ধরা পড়েছে। তাঁদের বেশির ভাগই শ্রমিক।
সিঙ্গাপুর সরকার প্রবাসী শ্রমিকদের সুরক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে। প্রায় দুই মাস ধরে নিবিড় পরিচর্যা ইউনিটে (আইসিইউ) চিকিৎসা নেওয়ার পর গত বৃহস্পতিবার একজন বাংলাদেশি কর্মীর অবস্থার উন্নতি হয়েছে। তাঁকে এখন সাধারণ ওয়ার্ডে রাখা হয়েছে।
সিঙ্গাপুরের বাইরে কাতারে পাঁচ শতাধিক বাংলাদেশি কর্মী করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন। এ ছাড়া সৌদি আরবে সংক্রমিত রোগীদের মধ্যেও বাংলাদেশিরা আছেন। গত সপ্তাহে মদিনায় চার হাজার বাংলাদেশিকে করোনা পরীক্ষায় রাজি করানো হয়েছে। তবে প্রবাসীদের করোনা পরীক্ষায় রাজি করাতে দায়িত্ব পালনকারী জেদ্দায় বাংলাদেশ মিশনের কাউন্সেলর (শ্রম) নিজেই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।
কূটনৈতিক সূত্রে জানা যায়, করোনাভাইরাস মহামারির কারণে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে বিরূপ প্রভাব পড়ছে। মধ্যপ্রাচ্যসহ প্রবাসে বাংলাদেশের শ্রমবাজার সংকুচিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে অবৈধ বা চাকরি হারানো কর্মীদের দেশে ফিরতে হতে পারে।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় ঘোষণা দিয়েছে, বিদেশফেরত প্রত্যেক কর্মী বাংলাদেশে ফেরার পর বিমানবন্দর থেকে বাড়ি ফেরার খরচ বাবদ পাঁচ হাজার টাকা পাবে। এ ছাড়া কোনো প্রবাসী কর্মী করোনাভাইরাসে মারা গেলে তাঁর পরিবার পাবে তিন লাখ টাকা।
বিদেশফেরত কর্মীরা যাতে এ দেশে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে বিশেষ করে কৃষি খাতে নিজেকে সম্পৃক্ত করতে পারে সে জন্য প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় প্রত্যেকের জন্য পাঁচ লাখ থেকে সাত লাখ টাকা ঋণের ব্যবস্থা করবে।
No comments:
Post a Comment