আতাউর রহমান
মাঞ্জা গ্রুপের সদস্যরা নিজেরাই ভ্যান চালিয়ে নিম্ন আয়ের মানুষের ঘরে পৌঁছে দিচ্ছেন খাদ্যসামগ্রী সমকাল
ওরা ১২ জন। পুরান ঢাকার স্থায়ী বাসিন্দা। তারা স্বেচ্ছাসেবী একটি গ্রুপ।
কেউ বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ চুকিয়ে চাকরি করেন, কেউ করেন ছোটখাটো ব্যবসা। আবার
কেউ এখনও ছাত্র। প্রতাপ দাস লেন, গোপাল সাহা লেন আর পিসি ব্যানার্জি লেনসহ
পুরান ঢাকার বিভিন্ন লেনের বাসিন্দাদের আপদে-বিপদে তারা পাশে থাকেন। নানা
সামাজিক-সাংস্কৃতিক কাজেও নিজেদের সম্পৃক্ত রাখেন। এলাকার রাস্তায় পানি
জমলে ড্রেন পরিস্কার করেন। কানাগলিতে রিকশার জট লাগলে ছাড়াতে আসেন তারা।
করোনাভাইরাসের চলমান এই সংকটে ১২ জনের এ গ্রুপটি খাদ্যসামগ্রী নিয়ে ছুটে
চলছে অলি-গলিতে। দুস্থ ও অসহায় মানুষের হাতে তুলে দিচ্ছে খাবার। খবর পেলে
খাদ্যসামগ্রী নিয়ে হাজির হচ্ছে নিম্ন আয়ের মানুষের ঘরে। কেউ আবার বাজার
থেকে খাদ্য কিনিয়ে নিচ্ছেন তাদের দিয়ে। নিঃস্বার্থভাবে মানুষের সেবায় ওরা
নিবেদিত।
১২ সদস্যের এ গ্রুপটির নাম 'মাঞ্জা'। কেন এই নাম- জানতে চাইলে গ্রুপের অন্যতম সদস্য সাগর রশিদ বলছিলেন, পুরান ঢাকার ঘুড়ি উৎসবে নানা উপকরণ দিয়ে ঘুড়ির সুতা ধারালো করা হয়। স্থানীয় ভাষায় তারা যাকে বলেন মাঞ্জা। এই মাঞ্জা দেওয়ার ফলে সুতা মজবুত হয়, উৎসব প্রাণশক্তি পায়। তেমনি নানা দূর্যোগে, দুঃসময়ে তাদের গ্রুপটাও মাঞ্জার মতো মজবুত। সেই প্রাণশক্তি নিয়েই তারা করোনাভাইরাসে ঘরবন্দি মানুষের কাছে খাবার নিয়ে হাজির হচ্ছেন।
খাবার বিতরণের পাশাপাশি করোনাভাইরাস রোধে সরকারের নির্দেশিত বিধিনিষেধ সবাই যাতে মেনে চলেন, সে জন্য মানুষকে সচেতন করতে পাড়ামহল্লায় কাজ করছে গ্রুপটি।
সাগর রশিদ বেসরকারি একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চারুকলায় স্নাতক সম্পন্ন করে এখন নিজে 'ইভেন্ট-২৭' নামের প্রতিষ্ঠান চালাচ্ছেন। তিনি ছাড়া এ গ্রুপের সদস্য ইয়াসির হাসান আকাশ, ইফতেখার ইবনে জাফর (আবির), নোমান শেখ, আল রাফসান জানি সিদ্দিকী দিগন্ত, রবিন হোসেন উচ্চ শিক্ষা শেষ করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত। আরমান ওয়াহিদ সম্রাট আর আহসানুল সৈকত ব্যবসা করেন।
গ্রুপের অন্য সদস্যদের মধ্যে আরমান হোসেন নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএর ছাত্র, কে এম আল মুনিম সিদ্দিকী প্রান্ত এবং রবিন হোসেন পড়েন একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে। এ-লেভেল সম্পন্ন করা গালিব হোসেনও রয়েছেন মাঞ্জা গ্রুপে।
খাদ্যসামগ্রী সংগ্রহ করেন কীভাবে জানতে চাইলে আরমান হোসেন বলছিলেন, তাদের গ্রুপের বেশির ভাগ সদস্যই পড়ালেখা শেষ করে কর্মজীবী হয়েছেন। যারা এখনও ছাত্র, তারাও অবস্থাপন্ন পরিবারের। তাই নিজেদের টাকাতেই শুরু করেছিলেন। তাদের এই ভালো কাজে উৎসাহ দিতে মহল্লার বিত্তবান বড় ভাইয়েরাও এগিয়ে আসেন। তারা এখন পর্যন্ত সূত্রাপুরের বিভিন্ন এলাকায় কয়েকশ' নিম্ন আয়ের মানুষের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছেন। গ্রুপের সদস্যরাই ভ্যান চালিয়ে ঘরে ঘরে এসব খাদ্য বিতরণ করেন।
১২ সদস্যের এ গ্রুপটির নাম 'মাঞ্জা'। কেন এই নাম- জানতে চাইলে গ্রুপের অন্যতম সদস্য সাগর রশিদ বলছিলেন, পুরান ঢাকার ঘুড়ি উৎসবে নানা উপকরণ দিয়ে ঘুড়ির সুতা ধারালো করা হয়। স্থানীয় ভাষায় তারা যাকে বলেন মাঞ্জা। এই মাঞ্জা দেওয়ার ফলে সুতা মজবুত হয়, উৎসব প্রাণশক্তি পায়। তেমনি নানা দূর্যোগে, দুঃসময়ে তাদের গ্রুপটাও মাঞ্জার মতো মজবুত। সেই প্রাণশক্তি নিয়েই তারা করোনাভাইরাসে ঘরবন্দি মানুষের কাছে খাবার নিয়ে হাজির হচ্ছেন।
খাবার বিতরণের পাশাপাশি করোনাভাইরাস রোধে সরকারের নির্দেশিত বিধিনিষেধ সবাই যাতে মেনে চলেন, সে জন্য মানুষকে সচেতন করতে পাড়ামহল্লায় কাজ করছে গ্রুপটি।
সাগর রশিদ বেসরকারি একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চারুকলায় স্নাতক সম্পন্ন করে এখন নিজে 'ইভেন্ট-২৭' নামের প্রতিষ্ঠান চালাচ্ছেন। তিনি ছাড়া এ গ্রুপের সদস্য ইয়াসির হাসান আকাশ, ইফতেখার ইবনে জাফর (আবির), নোমান শেখ, আল রাফসান জানি সিদ্দিকী দিগন্ত, রবিন হোসেন উচ্চ শিক্ষা শেষ করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত। আরমান ওয়াহিদ সম্রাট আর আহসানুল সৈকত ব্যবসা করেন।
গ্রুপের অন্য সদস্যদের মধ্যে আরমান হোসেন নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএর ছাত্র, কে এম আল মুনিম সিদ্দিকী প্রান্ত এবং রবিন হোসেন পড়েন একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে। এ-লেভেল সম্পন্ন করা গালিব হোসেনও রয়েছেন মাঞ্জা গ্রুপে।
খাদ্যসামগ্রী সংগ্রহ করেন কীভাবে জানতে চাইলে আরমান হোসেন বলছিলেন, তাদের গ্রুপের বেশির ভাগ সদস্যই পড়ালেখা শেষ করে কর্মজীবী হয়েছেন। যারা এখনও ছাত্র, তারাও অবস্থাপন্ন পরিবারের। তাই নিজেদের টাকাতেই শুরু করেছিলেন। তাদের এই ভালো কাজে উৎসাহ দিতে মহল্লার বিত্তবান বড় ভাইয়েরাও এগিয়ে আসেন। তারা এখন পর্যন্ত সূত্রাপুরের বিভিন্ন এলাকায় কয়েকশ' নিম্ন আয়ের মানুষের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছেন। গ্রুপের সদস্যরাই ভ্যান চালিয়ে ঘরে ঘরে এসব খাদ্য বিতরণ করেন।
No comments:
Post a Comment