উত্তর দিকের সীমান্তে চীন। পূবের এক অংশে ভিয়েতনাম। আর অনেক নিচে পশ্চিম
দিকে থাইল্যান্ডের সীমানার কাছে ভিয়েনতিয়েন শহর। মেকং নদীর তীরের দেশ লাওস
লিখে চলেছে করোনা নিয়ন্ত্রণের কাহিনি।
গত সাতদিন ধরে লাউসে নতুন কোনো করোনা রোগীর সন্ধান পাওয়া যায়নি। মার্চের ২৪ তারিখে প্রথম রোগী ধরার পর আজ পর্যন্ত মাত্র ১৯ জন করোনা রোগীর সন্ধান পেয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। তাই বলা হচ্ছে, দেশটিতে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে করোনাভাইরাস।
আজ রবিবার এক সংবাদ সম্মেলনে লাওসের উপ-স্বাস্থ্যমন্ত্রী ফুথোনে
মিয়াংপ্যাক জানিয়েছেন, গত সাতদিন ধরে লাওসে কোনো করোনা রোগী পাওয়া যায়নি।
দেশটিতে মোট করোনা রোগী পাওয়া গেছে ১৯ জন। গত মার্চ মাসের মাঝামাঝি থেকে
পরীক্ষা শুরু হলে ২৪ মার্চ প্রথম সন্ধান পাওয়া যায় করোনা রোগীর।
রবিবার পর্যন্ত লাওসে এক হাজার তিনশ ৩৩ জন মানুষের শরীরে করোনা টেস্ট করা হয়। ১৯ জনের শরীরে ধরা পড়ে করোনা। আর হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়ে দু’জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। মারা যাওয়ার কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
লাওসের উপ-প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, গত ২৪ মার্চ দেশে প্রথম করোনা সংক্রমিত রোগী ধরা পড়ে। দ্রুত তাকে আইসোলেশনে রেখে দেশজুড়ে করোনা প্রতিরোধ শুরু হয়। চীনের পরিস্থিতির দিকে লক্ষ্য রেখেই প্রস্তুত থেকেছি আমরা। আর এভাবে করোনা নিয়ন্ত্রণ করেছি আমরা।
সূত্র: বার্নামা।
গত সাতদিন ধরে লাউসে নতুন কোনো করোনা রোগীর সন্ধান পাওয়া যায়নি। মার্চের ২৪ তারিখে প্রথম রোগী ধরার পর আজ পর্যন্ত মাত্র ১৯ জন করোনা রোগীর সন্ধান পেয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। তাই বলা হচ্ছে, দেশটিতে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে করোনাভাইরাস।
রবিবার পর্যন্ত লাওসে এক হাজার তিনশ ৩৩ জন মানুষের শরীরে করোনা টেস্ট করা হয়। ১৯ জনের শরীরে ধরা পড়ে করোনা। আর হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়ে দু’জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। মারা যাওয়ার কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
লাওসের উপ-প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, গত ২৪ মার্চ দেশে প্রথম করোনা সংক্রমিত রোগী ধরা পড়ে। দ্রুত তাকে আইসোলেশনে রেখে দেশজুড়ে করোনা প্রতিরোধ শুরু হয়। চীনের পরিস্থিতির দিকে লক্ষ্য রেখেই প্রস্তুত থেকেছি আমরা। আর এভাবে করোনা নিয়ন্ত্রণ করেছি আমরা।
সূত্র: বার্নামা।
No comments:
Post a Comment