-
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের রোগীদের সরিয়ে সেখানে করোনাভাইরাস আক্রান্তদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে এই রোগের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়া অনেকের পরীক্ষা আর হচ্ছে না।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে করোনাভাইরাস আক্রান্তদের
চিকিৎসা শুরু হওয়ার আড়াই দিনে মোট ১৮ জন মারা গেছেন, যাদের মধ্যে দুই জনের
পরীক্ষায় কোভিড-১৯ রোগ শনাক্ত হয়।
মৃত বাকি ১৬ জনের আর পরীক্ষা করা
হয়নি। তবে করোনাভাইরাস আক্রান্ত হয়ে মারা গেলে যে প্রক্রিয়ায় লাশ হস্তান্তর
করা হয় তাদের ক্ষেত্রেও সেই প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে বলে হাসপাতালের
পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এম কে এম নাছির উদ্দীন জানিয়েছেন।
তিনি
সোমবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “দুইজন ছাড়া বাকি যে ১৬ জন
মারা গেছেন তাদেরকে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী বলা যাবে না। তাদের শরীরে
বিভিন্ন ধরনের রোগ ছিল। আমরা করোনাভাইরাস সাসপেক্ট হিসেবে তাদের ভর্তি
করিয়ে ছিলাম।
“করোনাভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে এমন অনেক রোগী আসেন তাদের পরীক্ষা করার আগেই প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়ার সময় মারা যান।”
মারা
যাওয়ার পরে কেন পরীক্ষা করা হল না তার ব্যাখ্যায় ব্রিগেডিয়ার নাছির বলেন,
“মর্গে লাশ রাখার সুযোগের স্বল্পতাসহ নানা পরিস্থিতির কারণে সন্দেহভাজন
মৃতদের করোনাভাইরাস পরীক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে না।
“তবে করোনা রোগীর মৃতদেহ হস্তান্তরের ক্ষেত্রে যে স্বাস্থ্যবিধি বলা আছে, এদের ক্ষেত্রে তা মানা হচ্ছে।”
গত
শনিবার ঢাকা মেডিকেলে এই ‘করোনা ইউনিট’ চালু হওয়ার পর সোমবার দুপুর
পর্যন্ত মোট ৯০ জন রোগী ভর্তি হন। তাদের মধ্যে মারা গেছেন ওই ১৮ জন। আর
সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন নয়জন।
ঢাকা মেডিকেলের পরিচালক বলেন, একমাত্র তাদের এখানেই কোভিড-১৯ পরীক্ষা না হলেও উপসর্গ নিয়ে আসা রোগীদের ভর্তি করা হচ্ছে।
No comments:
Post a Comment