-
ফাইল ছবি
কোভিড-১৯ মহামারী মোকাবেলার লড়াইয়ের জন্য দুই হাজার চিকিৎককে বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারে সহকারী সার্জন পদে নিয়োগ দিয়েছে সরকার।
সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সুপারিশের ভিত্তিতে ‘রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজনে’
এদের নিয়োগ দিয়ে সোমবার রাতে আদেশ জারি করেছে জনপ্রশসন মন্ত্রণালয়।
স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ এদের যেখানে পদায়ন করবে সেই কর্মস্থলে আগামী ১২
মে যোগদান করতে বলা হয়েছে। স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ থেকে এর মধ্যে কোনো নির্দেশনা না পেলে
১২ মে এই বিভাগেই তাদের যোগ দিতে হবে।
আদেশে বলা হয়েছে, “সাময়িকভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী সার্জনদের কোভিড-১৯ এ
আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসা সেবা প্রদান করতে হবে। কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত রোগীর সেবা প্রদানকালীন
তার কর্মদক্ষতা সন্তোষজনক কি না, চাকরি স্থায়ীকরণের সময় তা বিবেচনা করা হবে।”
নিয়োগকৃত ব্যক্তি বাংলাদেশের স্থায়ী বাসিন্দা না হলে নিয়োগ বাতিল হবে। এছাড়া
বাংলাদেশের নাগরিক নন, এমন কোনো ব্যক্তিকে বিয়ে করলে বা বিয়ে করার জন্য অঙ্গীকারাবদ্ধ
হলেও এই নিয়োগ বাতিল করা হবে।
নিয়োগকৃত প্রার্থীকে লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে অথবা সরকার নির্ধারিত
প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ নিতে হবে জানিয়ে আদেশে বলা হয়েছে, প্রশিক্ষণ
শেষে তাকে তার চাকরি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে সরকার যেরূপ স্থির করবে সেরূপ পেশাগত ও
বিশেষ ধরনের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হবে। তাকে দুই বছর শিক্ষানবিশ হিসাবে কাজ করতে হবে।
“চাকরিতে যোগদানকালে যোগদানপত্রের সঙ্গে ৩০০ টাকা মূল্যের নন-জুডিশিয়াল
স্টাম্পে এই মর্মে একটি বন্ড সম্পাদন করতে হবে যে তিনি নিজের বা পরিবারের অন্যান্য
সদস্যের জন্য কোনো যৌতুক নেবেন না এবং দেবেন না।”
আদেশে বলা হয়েছে, “নির্ধারিত তারিখে চাকরিতে যোগদান না করলে তিনি চাকরিতে
যোগদান করতে সম্মত নন বলে ধরে নেওয়া হবে এবং এ সাময়িক নিয়োগপত্র বাতিল বলে গণ্য হবে।”
করোনাভাইরাসের মহামারীর মধ্যে রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজনে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের
চাহিদা অনুযায়ী দুই হাজার চিকিৎসককে নিয়োগে গত ৩০ এপ্রিল সুপারিশ করে পিএসসি।
৩৯তম বিশেষ বিসিএসের লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেও পদ না থাকায়
৮ হাজার ১০৭ জন নিয়োগের জন্য সুপারিশ পাননি। তাদের মধ্য থেকে দুই হাজার জনকে সহকারী
সার্জন পদে নিয়োগের সুপারিশ করেছিল কমিশন।
No comments:
Post a Comment