্ এই জনপদের অন্যতম প্রাচীন মসজিদ হলো সুজাপুর জামে মসজিদ। সুজাপুর মসজিদের পার্শেই গড়ে উঠা সুজাপুর কবরস্থান- এটিও অনেক পুরনো। কথিত আছে যে, যে স্থানে আল্লাহর ঘর নির্মান করা হয়েছে- প্রথম দিকে এখানে খেলার মাঠ ছিলো। পরবর্তীতে এখানে মসজিদ ও কবরস্থান স্থাপন করা হয়। এই মসজিদ ও কবরস্থান একদিনে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। গ্রামের মুরুব্বীদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফসল এই মসজিদ ও কবরস্থান। এই গ্রামের মুরুব্বীগণ , যুবক শ্রেনীসহ সকল বয়সের লোকজন আল্লাহর ঘর মসজিদকে সহযোগীতা করে আসছেন। আজ মসজিদ কবরস্থান ও ঈদ গাও পাশাপাশি হওয়াতে এর সৌন্দর্য এখন অনেককেই আকৃষ্ট করে তুলছে। আমাদের ঈদগাও এখনো তরুদের অহংকারের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। তরুনরা ঈদের নামাজ শেষে সকলকে নিয়ে নানান ছবি তুলে সারা বিশ্বের বাঙ্গালীদের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে প্রযুক্তির মাধ্যমে। কাজেই সুজাপুর জামে মসজিদ , সুজাপুর কবরস্থান ও সুজাপুর ঈদগাও এখন উপস্থাপন করার হচ্ছে নানানভাবে। আমরা গর্বিত আল্লাহর ঘর মসজিদ ও অনান্য প্রতিষ্ঠানকে নিয়ে।
মসজিদের পাশেই কবরস্থান। খুব কম স্থানেই এই উদাহরন রয়েছে। নিয়মিতভাবে পাঁচওয়াক্ত আজান শুনতে পাওয়া যায়। মুসল্লিগণ নামাজ পড়ে মসজিদ থেকে বের হলেই কবরস্থানে মৃত ব্যক্তিদের জন্য দোয়া করতে পারছেন। শুধু মসজিদের পাশেই কবরস্থান এই সুবিধার জন্য অন্য গ্রামের মানুষগণ এই গ্রামের মসজিদ ও কবর স্থানের সদস্য হওয়ার জন্য সবসময় আগ্রহী হয়ে থাকেন। এটি আমাদের জন্য গর্বের বিষয়।
প্রতিনিয়ত মসজিদ থেকে এই গ্রামের মুরুব্বীদের জন্য দোয়া করা হচ্ছে। শত শত গ্রামের মুরুব্বীগণ- কারো বাবা, কারো মা , কারো ভাই বোন আত্বীয় স্বজন শুয়ে রয়েছেন এই কবরস্থানে।
নিম্নে মসজিদ কবরস্থান ঈদগাও সহ এর সাথে সম্পর্কিত অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের খন্ড চিত্র ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে ধরা হলো।
আমাদের
মসজিদঃ
ছবিতে সুজাপুর জামে মসজিদ ও মাদ্রাসা।
টিনের ঘর থেকে গ্রামবাসীর
উদ্যোগে পাকা করা হয় মসজিদটি। বর্তমানে মসজিদের সদস্যের সংখ্যা প্রায় ৩০০( তিন শত) । সকলেই মিলেমিশে
“মসজিদ আল্লাহর ঘর” মসজিদকে সহযোগীতা করে আসছেন। মূলত গ্রামের পরিবারগুলোর সহযোগীতায়
চলছে এই মসজিদ। ৮৬ শতাংশ জমি রয়েছেন মসজিদ
সংলগ্ন এলাকায়। প্রতিক্ষেত্রেই এই গ্রামের প্রবাসী ভাইয়েরা এগিয়ে আসছেন- সহযোগীতা করছেন। সরকারের অনুনদানও আমার পাচ্ছি।
আমাদের
ঈদ গাওঃ
আমাদের ঈদ গাও এখন ঢাকা জেলার
মধ্যেই অন্যতম দৃষ্টি নন্দিত ঈদগাও। মসজিদ, ঈদ গাও মাঠ এবং পাশেই কবরস্থান। সিরামিক ইটের
তৈরি এই ঈদ গাওয়ের ছবি এখন ভাইরাল হচ্ছে। ঈদের নামাজের পর তরুদের ছবি সম্বিলিত ঈদগাও এখন
সাড়া বিশ্বে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এটি এখন আমাদের গর্বের বিষয়। মাটি ভরাট করে করে সংস্কার
করে ঈদ গাও মাঠও এখন অনেকটাই গুছানো এবং পরিপাটি। প্রতি বছর ঈদ উল ফিতর ও ঈদ উল আযহার
নামাজ এই ঈদগাও মাঠে গ্রামের মুসল্লিগণ আদায় করে থাকেন। শহরের বসবাসরত অনেকেই এখন গ্রামে এসে এই ঈদ
গাও এ এসে নামাজে শরীক হন।
ছবিতে সুজাপুর ঈদগাও মাঠে ঈদের নামাজের একাংশ।
আমাদের
কবরস্থানঃ
প্রায় ৪৮
শতাংশ জমির উপর তৈরি করা হয়েছে সুজাপুর কবরস্থান। এই কবরস্থানে শুয়ে আছেন গ্রামের শত শত মুরুব্বীগণ। কারো বাবা, কারো মা ,কারো ভাই বোন আত্বীয়স্বজন
পাড়া প্রতিবেশী। বিগত দিনে মাটি ভরাট করে করে কবরস্থানকে একটি লেভেলে নিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছে। উল্লেখ্য কবরের পাশেই এক সময় বিশাল গর্ত ছিলো সেটি ভরাট করা হয়েছে। কবরস্থান উচু নীচু থাকায় পর্যায়ক্রমে মাটি ভরাট করে করে একটি
লেভেলে নিয়ে আসাতে একের পর এক কবর দেওয়া যাচ্ছে।
কবরস্থানের পশ্চিম পার্শ্বে প্রবেশ পথে ওয়াল তৈরি করা হয়েছে। বর্তমানে কবরস্থান
দুটি ধাপে বিভক্ত। উপরের অংশের সাথে নীচের অংশ ভরাট করে একটি লেভেলে নিয়ে আসতে পারলে
কবরস্থানটির আয়তন বৃদ্ধি পাবে এবং ভবিষৎতে কবরস্থান বাউন্ডারীসহ প্রবেশ পথে গেট তৈরি করে মহিলা , শিশু এবং পুরুষদের
আলাদা করে ডিজাইন করে সংকোলনের ব্যবস্থা করা যাবে।
ছবিতে ঈদগাও এর পাশেই কবরস্থান। সুজাপুর কবরস্থান।
আমাদের
মাদ্রাসা ঘরঃ
আমাদর গ্রামের সন্তান প্রবাসী
আফজাল হোসেন এককভাবে এই মাদ্রাসার বিল্ডিংটি নির্মাণ করে দিয়েছেন। এটি এই মসজিদ কবরস্থানের
শ্রেষ্ঠ অনুদান। আল্লাপাক তাঁর এই দানকে কবুল করে নিন। মাদ্রাসার ছাত্র ছাত্রীরা প্রতিদিন
কোরআন শিক্ষা করে দোয়া করতে থাকেন। মসজিদ ভিত্তিক শিক্ষার ক্লাসও এই বিল্ডিং এ করা
হয়। মসজিদের মাদ্রাসার ঘর করা নিয়ে যখন হিমশিম অবস্থায় ছিলাম তখন প্রবাসী আফজাল হোসেন তাঁর
স্বপ্নের কথাটি জানান এবং আমরা তাঁর স্বপ্নকে বাস্তবায়নে সার্বিকভাবে সহযোগীতা করেছি।
ছবিতে গ্রামের কৃতি সন্তান প্রবাসী আফজাল হোসেন এর নির্মিত মাদ্রাসা বিল্ডিং
মসজিদ
হতে কবরস্থানে যাতায়াতের রাস্তাঃ
সম্পূর্ন সরকারী দুটি প্রতিষ্ঠানে অনুদানে এই রাস্তাটি নির্মান
করা হয়। ত্রাণ মন্ত্রনালয় ও ঢাকা জেলা পরিষদের অনুদানে রাস্তাটি নির্মিত হয়। দীর্ঘদিন এখানে কোন রাস্তা না থাকাতে কবরস্থানে প্রতিনিয়ত লাশ লওয়া কষ্টসাধ্য বিষয় হয়েছিলো। প্রায় সময়ই
বৃষ্টিতে অসুবিধায় পড়তে হতো। সেই বিবেচনায় দ্রুত রাস্তাটি নির্মানের উদ্যোগ গ্রহন করা
হয়।
ছবিতে ঢাকা জেলা পরিষদ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সহযোগীতায় নির্মিত কবরস্থানের রাস্তা।
কবরস্থানে
মাঝে রাস্তা নির্মানঃ
কবরস্থানে যাতায়াতের সুবিধার
জন্য মাঝামাঝি দিয়ে শুরু থেকে কবরস্থানের শেষ মাথা পর্যন্ত
ইটের তৈরি রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে। সহজেই খবরস্থানের ভিতরে যে কোন কববেরর পাশে সহজেই যাওয়া যায়।
আমাদের
মসজিদের পুকুরঃ
ছবিতে মসজিদের পুকুর
কচুরীপানা এবং জঙ্গলে
ভরপুর -এটি ছিলো এক সময় পরিত্যাক্ত অবস্থায়।
সম্পূর্ন পরিস্কার করে এটির চর্তপাশ্বে চলাচলের
রাস্তা তৈরি করা হয়। বর্তমানে এই পুকুরের পানি অনেকেই ব্যবহার করছেন। পুকুরের চারি পার্শ্বে মাটি ভরাট করে করে রাস্তা নির্মান
করা হয়। অথচ এই পুকুরটি ভরাট করার জন্য অনেকেই মতামত দিয়েছিলেন। কিন্তু একটি প্রতিষ্ঠানের
সাথে একটি পুকুর থাকা জরুরী। সেই বিবেচনায় পুকুরকে না হারিয়ে সংস্কার করে আয়ের একটি
উৎস হিসাবে বিচেবনা করা হচ্ছে।
মসজিদের
চারি পাশে মাটি ভরাটঃ
আমাদের মসজিদের চর্তুরপাশ্বঃ
মসজিদের চারিদিকে পর্যায়ক্রমে মাটি ভরাট করে করে এর আয়তন বৃদ্ধি করা হয়েছে। মসজিদের
আয়তন এখন পূর্বের চেয়ে বৃদ্ধি পেয়েছে।
আমাদের মসজিদে মসজিদভিত্তিক শিশ ও গণশিক্ষা কার্যৃক্রম চালু
হয়েছে। ইসলামী ফাউন্ডেশন নিয়মিত যোগাগের মাধ্যমে এই অনুমোদন
লওয়া হয়।
আর্থ সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড ও শিক্ষা বিস্তারের কাজে মসজিদের ইমাম সাহেবদের সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে সরকার ১৯৯৩ সালে মসজিদ ভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রমের আওতায় প্রাক-প্রাথমিক এবং ঝরে পড়া (ড্রপ-আউট) কিশোর-কিশোরী ও অক্ষরজ্ঞানহীন বয়স্কদের জন্য মসজিদভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করে। নিয়মিতভাবে
এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
আমাদের
মসজিদের ইমাম সাহেবের থাকার ব্যবস্থাঃ
বিগত দিনগুলোতে পরিবার নিয়ে মসজিদের ইমাম সাবেবকে গ্রামের মানুষের বাড়ীতে
থাকার ব্যবস্থা করা হতো । যার
ফলে ইমাম সাহেবদের প্রাইভেসী বলে কিছু ছিলো
না। নানান ধরনের অভিযোগ চলে আসলে- আলাদা থাকার ব্যবস্থা করার উদ্যোগ গ্রহন করা হয় । মসজিদের পাশেই ২৪ শতাংশ জায়গা মাটি ভরাট করে
পরিবার পরিজন বসবাসের জন্য যা যা প্রয়োজন সকল সুযোগ সুবিধা দেওয়া হয়েছে।
অর্থাৎ একজন মসজিদের ইমাম সাবেক তাঁর মর্যদার জায়গা রাখা হয়েছে। যার ফলে
গ্রামের মানুষের সাথে প্রয়োজন ছাড়্রা মিশতে পারছেন না। বিগত দিনের অভিজ্ঞতায়
দেখা গিয়েছে যে সকলের সাথে মিশতে গিয়ে সকলের মন রক্ষা করতে গিয়ে অনেক ঝামেলা পুহাতে হতো ইমাম সাহেবকে।
বাড়ী বাড়ী থেকে টিফিনকারী বহন করে খাবার নিয়ে
আসার কালচার বিলুপ্তিঃ
বহুদিনের প্রচলন বাড়ী বাড়ী
থেকে খাবার নিয়ে আসা- এটি দেখতেও ভাল দেখা যেতো না । ইহাছাড়া অনেক পরিবারে একদিন খাওয়াত প্রায়
৫০০/১০০০ লেগে যেতো। সেই দিক বিবেচনায় খাবার বিষয়টি হুজুরের পরিবারের সাথে সংযুক্ত করা হয়।
মাসিক চাঁদার সাথে বাড়তি কিছু টাকা যুক্ত করে এই সমস্যার সমাধান করা হয়েছে। বর্তমানে খাবার নিয়ে আর কোন সমস্যা পরিলক্ষিত হচ্ছে না বললেই চলে।
রোজার
মাসে মাস ব্যাপী ইফতারের ব্যবস্থাঃ
স্বল্প পরিসর হলেও এটি চালু করা হয়েছে। ৪০/৫০টি পরিবারকে বাছাই
করে একদনি ২০/২৫ মানুষের ইফতারের ব্যবস্থা করা হয়। সাথে মসজিদের কিছু যুক্ত করে প্রতিদিনের
ইফতারের একটি ব্যবস্থা করা হয়ে থাকে। প্রথম বছর একটু অসুবিধা হলেও এখন বছর বছর করা
হচ্ছে এবং ব্যাপক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে।
ছবিতে পবিত্র রমজান মাসের একটি ইফতার পার্টিতে গ্রামের মুসুল্লীগণ
শেরপুর
চকে একটি নীচু জমিতে পুকুর খননঃ
মসজিদের একটি জমিকে পুরকুর
খনন করা হয়েছে। ফলে প্রতি বছর এটি বিক্রি
করে মসজিদের একটি আয়ের পথ তৈরি করা হয়ছে।
নারায়নপুরের
জমি একটি স্থায়ী সমাধানঃ
এক সময় জমিটির আশা ছেড়েই দেওয়া হয়েছিলো। পরবর্তীতে
এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে প্রশাসনের সহায়তা আমরা মসজিদের ৯ শতাংশ দখলে নিয়ে
নিতে সক্ষম হয়েছি।
মসজিদ
ও কবরস্থানের ফান্ড আলাদা করা হয়েছেঃ
কবরস্থানে ব্যাপ্তি দিনকে
দিন বৃদ্ধি পাওয়া এখন এই ফান্ড আলাদা করা হয়েছে।
ইহাছাড়া কবরস্থান নিয়মিত সংস্কার করা প্রয়োজন হয়ে থাকে। তাই প্রয়োজনের তাগিদে এটিকে
আলাদা করা হয়েছে।
মসজিদের
এসির পরিকল্পনা ঃ
যুগের চাহিদার সাথে তাল মিলিয়ে
এখন এসির সংস্থাপনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে এই খাতে ২ লাখ টাকার অনুদান পাওয়া
গিয়েছে। আরও অনুদানের বিষয়ে আশ্বস্ত করা হচ্ছে।
মসজিদ ও কবরস্থানের জন্য একটি ওযেব পেইজ তৈরির পরিকল্পনাঃ
মসজিদ কবরস্থান ও এর সাথে সম্পর্কিত অন্যান্য সেবা সমূহের প্রয়োজনীয় তথ্য সম্বেলিত ওযেব সাইট তৈরির পরিকল্পনা গ্রহন করা হচ্ছে। বিশ্বের যে কোন স্থান থেকে যাহাতে সকল তথ্য সহজেই পেতে পারেন তার উদ্যোগ লওয়া হচ্ছে।
মসজিদ
কবরস্থান আয়ের উৎসঃ
অর্থের প্রধান উৎস এর সদস্য
পরিবারগুলো এবং প্রবাসী ভাইয়েরা। এরা পাশাপাশি সরকারী অনুদানও রয়েছে। ইহাছাড়া মসজিদ ও কবরস্থানের গাছ,ফল, পুকুর ও জমি
থেকে আয় হয়ে থাকে। ৫টি ধানের জমি ও দুটি পুকুর বিদ্যমান রয়েছে।
আগামী
দিনের চ্যালেঞ্জ ও করণীয়ঃ
মসজিদ আল্লাহর ঘর। এটি নিরাপদে
রাখার দায়িত্ব সকলের। কাজেই সকলকে ঐক্য থাকতে হবে। একটি মাষ্টার প্লান করে অবকাঠামো
উন্নয়ন করতে হবে। সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ডে মসজিদকে গুরুত্ব দিয়েছেন। সেই সাথে ভবিষ্যৎতে
ইমামদের বেতনও সরকার প্রদান করবে। সরকারের কর্মকান্ডের সাথে আমাদেরও সম্পকৃত্ত হতে
হবে। কাজেই আগামী দিনগুলোতে আমাদের আপগ্রেড
থাকতে হবে। মসজিদ ও কবরস্থানে প্রযুক্তির ব্যবহার
কাজে লাগাতে হবে। মসজিদের ধারাবাহিক উন্নয়নের জন্য আয়ের পথ বাড়াতে হবে। মসজিদকে অন্য প্রতিষ্ঠানের সাথে তুলনা না করে আলদা মর্যদার
আসনে নিয়ে আসতে হবে। তবেই আল্লাহর ঘরকে সঠিকভাবে পরিচালিত করা যাবে।
আগামী দিনগুলোতে মসজিদ ও কবর স্থানের পরিধী পাবে। সেইজন্য মসজিদ ও কবরস্থানে আলাদা কমিটি গঠন করা হলে দুটি স্থানের উন্নত হবে।
সম্পাদনায়ঃ রানা ভূঁইয়া, সুজাপুর জামে মসজিদ ও কবরস্থানের সেক্রেটারী।









আমরা সত্যিই খুব গর্বিত আমাদের গ্রাম নিয়ে। এই লেখনীতে "সুজাপুর জামে মসজিদ" এবং "সুজাপুর কবরস্থান" এর সার্বিক বিষয়ে অবগত হতে পারলাম। অনেক ধন্যবাদ জানাচ্ছি তথ্যবহুল লেখনীর জন্য।
ReplyDelete